২০২৭-এর জনগণনায় দেশবাসীর সাহায্য চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! যুবসমাজকে বিশেষ বার্তা

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে দেশের ভবিষ্যৎ কারিগর অর্থাৎ যুবসমাজের জন্য একগুচ্ছ যুগান্তকারী ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আধুনিক ভারতের কর্মসংস্থান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে একের পর এক পরিকল্পনার কথা জানানোর পাশাপাশি, ২০২৭ সালের আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়াকে সফল করতে দেশবাসীর কাছে সরাসরি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

১ কোটি তরুণকে এআই ট্রেনিং ও ফ্রি অনলাইন কোচিং

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের অন্তত ১ কোটি তরুণ-তরুণীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) বিষয়ে বিশেষ দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করা হবে। শুধু তাই নয়, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে সরকার একটি নতুন অনলাইন কোচিং প্রোগ্রামও চালু করতে চলেছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের বড় রকমের সহায়তা করবে।

‘আমার আপনাদের সাহায্য চাই’—জনগণনা নিয়ে বিশেষ বার্তা

এদিন ২০২৭ সালের জনগণনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, এটি কেবল একটি সরকারি পরিসংখ্যান সংগ্রহের কাজ নয়, বরং দেশের প্রতিটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ব্লু-প্রিন্ট তৈরির মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সকলের কাছে সাহায্য চাইছি। আপনারা হয়তো ভাবছেন, মাত্র এক-দুই ঘণ্টায় দেশের জন্য আর কী-ই বা করতে পারি? আমি আপনাদের বলছি—ঐ এক-দুই ঘণ্টাই জাতির জন্য শক্তির এক বিরাট উৎস হয়ে উঠতে পারে।”

প্রধানমন্ত্রী দেশের যুবকদের এই মহৎ প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, প্রতিটি পরিবারে ‘অংশগ্রহণের পরিবেশ’ গড়ে তোলা এবং নির্ভুল তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে যুবসমাজ যদি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে, তবেই এই ডিজিটাল জনগণনা প্রক্রিয়া সফল হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সংকল্প পূরণে প্রতিটি নাগরিকের এই অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন।