১৫ অগাস্ট থেকে পাল্টাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ছবি? গ্রামীণ স্কুল বাঁচাতে ঐতিহাসিক অভিযানের ঘোষণা CJP প্রধানের

দেশের গ্রামীণ এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং সরকারি বিদ্যালয়গুলির বেহাল দশা দূর করার লক্ষ্যে এবার এক অভূতপূর্ব দেশব্যাপী আন্দোলন ও জনসচেতনতামূলক অভিযানের ঘোষণা করল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। সোমবার সংগঠনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, দেশের শিকড় স্তরের শিক্ষাকাঠামোর মান উন্নত করতে এবং বছরের পর বছর ধরে চলা অবহেলার অবসান ঘটাতে আগামী ১৫ আগস্ট থেকে একটি ব্যাপক জনমত সংগ্রহ ও প্রচার অভিযান শুরু করা হবে। CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই বিশেষ অভিযানের রূপরেখা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে গ্রামীণ অঞ্চলের সরকারি স্কুলগুলির পঠনপাঠন এবং পরিকাঠামোগত অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন ঘটানো অত্যন্ত জরুরি।

সংগঠনের তরফে দেশের সাধারণ নাগরিক, অভিভাবক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানদের প্রতি অত্যন্ত জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিভাবকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, তাঁরা যেন নিজ নিজ এলাকার স্কুলগুলির শিক্ষাদানের মান, পরিকাঠামো এবং মৌলিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি নিয়ে নিয়মিতভাবে ‘সোশ্যাল অডিট’ বা সামাজিক নিরীক্ষা পরিচালনা করেন। এর পাশাপাশি, গ্রামের প্রধান ও স্কুল পরিচালকমণ্ডলীকে সরাসরি আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে তাঁরা নিজ দায়িত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মানোন্নয়নের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। অভিজিৎ দীপকে তাঁর ভিডিও বার্তায় ঘোষণা করেছেন যে, এই মহৎ উদ্যোগটি কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তিনি নিজে মহারাষ্ট্রের নিজ গ্রাম হিঙ্গোলি থেকে এই অভিযানের প্রথম পদক্ষেপ শুরু করবেন। তিনি সরাসরি সেই গ্রামের প্রধানের কাছে গিয়ে সেখানকার সরকারি বিদ্যালয়গুলির পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য অনুরোধ জানাবেন এবং এই আন্দোলনকে একটি গণআন্দোলনে রূপ দেওয়ার রূপরেখা তৈরি করবেন। CJP-র এই কড়া বার্তা ও পদক্ষেপের ফলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল চিত্র নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।