বাংলার মন্ত্রীরা ছিলেন পাক হ্যান্ডলারদের স্ক্যানারে! ভোটের ফল বেরোতেই জঙ্গি হামিমের কাছে এল কোন ভয়ংকর নির্দেশ?

জঙ্গি সন্দেহে কুখ্যাত হামিম মণ্ডলের গ্রেপ্তারের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক ও লোমহর্ষক তথ্য প্রকাশ্যে আসছে, যা গোটা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা সরাসরি পাক মদদপুষ্ট জঙ্গিদের মূল স্ক্যানারে ছিলেন। তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যে, ঠিক পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই পাকিস্তানের মাটি থেকে হামিম মণ্ডলের কাছে এক ভয়ংকর নাশকতার নির্দেশ এসে পৌঁছায়।
গোয়েন্দা সূত্র মারফত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানি হ্যান্ডলার এবং কুখ্যাত গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকা সহযোগীদের কড়া নির্দেশ পেয়েই হামিম শাসক দলের একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার ওপর কঠোর নজরদারি শুরু করেছিল। শুধু তাই নয়, রাজ্যে নিজেদের নাশকতার জাল বিস্তার করতে সে অত্যন্ত সুকৌশলে নিজস্ব একটি বিশেষ দল বা টিম গঠন করতে শুরু করে। বিশেষ করে এই নাশকতামূলক কার্যকলাপে যুক্ত করার জন্য তার প্রধান টার্গেট ছিল কমবয়সী তরুণ-তরুণীরা। ধৃতকে লাগাতার জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন যে, শুধুমাত্র নজরদারি চালিয়েই তারা ক্ষান্ত ছিল না, বরং রাজ্যের বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের ঠান্ডা মাথায় হত্যার এক ভয়াবহ ও সুদূরপ্রসারী ছক কষা হচ্ছিল। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ঠিক পরপরই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার জন্য হামিম তড়িঘড়ি নিজের টিম গোছাতে শুরু করে। বর্তমানে এই জঙ্গি যোগ এবং ভিআইপি নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে আর কারা কারা জড়িত রয়েছে, তা বের করতে দেশের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলি যৌথভাবে জোরদার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।