বুকজ্বালাকে সাধারণ গ্যাস ভেবে ভুল করছেন? বড় বিপদ এড়াতে এখনই জানুন আসল সত্য!

অ্যাসিডিটি এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স শুনতে এক মনে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে এগুলো আলাদা। অ্যাসিডিটি একটি উপসর্গ মাত্র, আর অ্যাসিড রিফ্লাক্স হলো পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীতে উঠে আসার প্রক্রিয়া। একে অবহেলা করলে তা দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা জিইআরডি-র মতো মারাত্মক রূপ নিতে পারে।
সাধারণ বুকজ্বালা দুই থেকে চার সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, ঘন ঘন ফিরে এলে কিংবা প্রতিদিন ওষুধের প্রয়োজন হলে তা একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত নয়। গিলতে সমস্যা হওয়া, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, ক্রমাগত বমি বা পাকস্থলী থেকে রক্তপাতের মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আপার জিআই এন্ডোস্কোপি করান। এটি আলসার বা বিরল ক্ষেত্রে খাদ্যনালীর ক্যান্সার শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
অ্যাসিডিটি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলা জরুরি। একবারে পেট ভরে ভারী খাবার না খেয়ে অল্প পরিমাণে বারবার খান। মসলাদার, চর্বিযুক্ত, ভাজা খাবার, ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল বর্জন করুন। অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে আদা, ক্যামোমাইল বা যষ্টিমধুর মতো ভেষজ চা পান করুন। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এই সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।