“৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার শুটার দময়ন্তী!”-কোথায় ছিলেন এই তরুণী ক্রীড়াবিদ?

দীর্ঘ তিন দিনের উৎকণ্ঠার অবসান। অবশেষে উদ্ধার করা হলো রাজ্যের প্রতিশ্রুতিমান রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেনকে। শনিবার ভোরে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট এলাকা থেকে তাকে সুস্থ অবস্থায় খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্রীড়া মহলে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল? মধ্য হাওড়ার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাসিন্দা দময়ন্তী বৃহস্পতিবার বাড়ির সামনে কেনাকাটা করতে বেরিয়ে আর ফেরেননি। শেষবার তাকে হাওড়া স্টেশনে দেখা গিয়েছিল। জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পাওয়া এই তরুণী শুটারের আচমকা নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছিলেন তার পরিবার ও কোচ, অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত জয়দীপ কর্মকার। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে হাওড়া সিটি পুলিশের চারটি বিশেষ দল। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় SIT গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল।
কীভাবে মিলল হদিস? শনিবার ভোরবেলা রামকৃষ্ণপুর ঘাট এলাকায় দময়ন্তীকে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তারাই তৎক্ষণাৎ খবর দেন পরিবারের লোকজনকে। এরপরই তাকে উদ্ধার করা হয়। মেয়ের বাড়ি ফেরার খবর নিশ্চিত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট করেছেন দময়ন্তীর মা মৌমিতা রায় সেন। তিনি লেখেন, “ঈশ্বরের অসীম কৃপায় আমার মেয়ে সুস্থ অবস্থায় ফিরে এসেছে।”
রহস্যের জট কি কাটল? দময়ন্তী উদ্ধার হলেও, এই তিনদিন তিনি কোথায় ছিলেন বা কেন নিখোঁজ হয়েছিলেন—তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আপাতত এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, “মেয়ে ফিরে এসেছে, এটাই বড় কথা। এখনই কিছু বলতে পারব না।” তবে পুলিশ সূত্রে খবর, ঠিক কী কারণে বা পরিস্থিতির জেরে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন, তা জানার জন্য দময়ন্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।