রেলে নিয়োগে বড় বদল! জালিয়াতি রুখতে এবার বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক, কীভাবে হবে যাচাই?

ভারতীয় রেলে কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ! গ্রুপ ডি (লেভেল-১) বিভাগের ২২,৯১৫টি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা করেছে রেল মন্ত্রক। এই পরীক্ষার জন্য দেশজুড়ে ৫৩ লক্ষেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। অর্থাৎ, একটি পদের জন্য লড়াই হবে প্রায় ২৩৮ জনের মধ্যে। হাড্ডাহাড্ডি এই প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রেখে প্রার্থীদের এখন থেকেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরীক্ষার সময়সূচী:
পরীক্ষার তারিখ: আগামী ৩ অগাস্ট থেকে শুরু হয়ে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে।
পরীক্ষার ধরন: কম্পিউটার বেস্ড টেস্ট (CBT) বা অনলাইন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
পরীক্ষার শহর: পরীক্ষা শুরুর ১০ দিন আগে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ‘সিটি ইনটিমেশন স্লিপ’ প্রকাশ করা হবে।
অ্যাডমিট কার্ড: মূল হল টিকিট ডাউনলোড করা যাবে পরীক্ষা শুরুর ৪ দিন আগে থেকে।
নিরাপত্তায় কড়াকড়ি: নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী রুখতে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড এই বছর বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে। এবার থেকে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন আঙুলের ছাপ এবং চোখের মণি (Iris) স্ক্যান করে প্রত্যেক প্রার্থীর পরিচয় যাচাই করা হবে।
কোন কোন পদে নিয়োগ? ট্র্যাক মেন্টেনার, পয়েন্টসম্যান বি, অ্যাসিস্ট্যান্ট সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকম, হসপিটাল অ্যাটেনডেন্ট, হেল্পার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং গেটম্যান-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে এই নিয়োগ সম্পন্ন হবে।
যোগ্যতা:
দশম শ্রেণী (মাধ্যমিক) উত্তীর্ণ।
পাশাপাশি, নির্দিষ্ট টেকনিক্যাল ট্রেডে আইটিআই (ITI) বা ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ সার্টিফিকেট (NAC) থাকলে তাঁরাও যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
রেল মন্ত্রকের তথ্য: সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে বিহার থেকে (১০ লক্ষেরও বেশি)। যদিও ২০১৯ সালে ১ কোটি ১৫ লক্ষের রেকর্ড আবেদন জমা পড়েছিল, তবে এবারের ২৩৮ জনের প্রতিযোগীতাও যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং।
প্রার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত রেলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ফলো করতে, যাতে অ্যাডমিট কার্ড বা পরীক্ষার শহর সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন মিস না হয়।