টাকার পাহাড় গড়তে চান? জেনে নিন বিনিয়োগের আসল ‘মন্ত্র’, শিখিয়ে দেবে এই পাঠশালা!

 

দেশের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়লেও, সঠিক জ্ঞানের অভাবে বড় অঙ্কের মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকেই। ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফিনান্সিয়াল এডুকেশন-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে মাত্র ২৭ শতাংশ মানুষ আর্থিকভাবে সাক্ষর। এই বিপুল শূন্যস্থান পূরণ করতে এবং সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে অভিনব উদ্যোগ নিল পাটনার ‘সিডা সার্ভিসেস’।

কী এই ‘পয়সা কি পাঠশালা’?

বিনিয়োগের জটিল নিয়মগুলোকে সহজ, সুসংগঠিত এবং কথোপকথনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চালু হয়েছে ‘পয়সা কি পাঠশালা’। অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়া (AMFI)-এর সাথে নিবন্ধিত এই প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ লার্নিং সেন্টার তৈরি করেছে। আইসিআইসিআই প্রুডেনশিয়াল মিউচুয়াল ফান্ডের এমডি এবং সিইও নিমেশ শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

কেন এটি অন্যদের থেকে আলাদা?

  • বক্তৃতার বদলে আড্ডা: এখানে প্রথাগত শ্রেণিকক্ষের মতো দীর্ঘ লেকচার নেই। ১৫ থেকে ২০ জনের ছোট ছোট দলে সরাসরি কথোপকথন এবং ইন্টারেক্টিভ সেশনের মাধ্যমে শেখানো হয় বিনিয়োগের পাঠ।

  • জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা: শুধু বয়স নয়, মানুষের জীবনের পর্যায় অনুযায়ী এখানে পরামর্শ দেওয়া হয়।

    • তরুণ প্রজন্ম: এসআইপি (SIP), বাজেট তৈরি এবং ঋণের সঠিক ব্যবহার।

    • কর্মজীবী পরিবার: মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা, লক্ষ্য-ভিত্তিক পরিকল্পনা এবং আর্থিক নিরাপত্তা।

    • বয়স্ক বিনিয়োগকারী: অবসরকালীন তহবিল গঠন এবং সম্পত্তি বা উইল পরিকল্পনা।

  • সব শহরেই শিক্ষা: বর্তমানে বি-৩০ (প্রধান শহরের বাইরের এলাকা) শহরগুলো থেকে ৫৪ শতাংশ এসআইপি অ্যাকাউন্ট আসছে। সেই চাহিদাকে মাথায় রেখেই একেবারে মানুষের দোরগোড়ায় আর্থিক শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে সিডা সার্ভিসেস।

সঞ্জীব দয়ালের বার্তা

সিডা সার্ভিসেস-এর প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জীব দয়াল বলেন, “বিনিয়োগকারী শিক্ষা কেবল বড় শহরে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। মানুষ যেখানে বাস করেন এবং যেখানে বসে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেন, শিক্ষা সেখানেই পৌঁছানো প্রয়োজন।”

আপনি কি বিনিয়োগের সঠিক পথ খুঁজছেন? দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক স্বাধীনতার লক্ষ্যে এই ‘পাঠশালা’ হতে পারে আপনার সেরা গন্তব্য।