চম্পত রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ! রাম মন্দির চুরির ঘটনায় তদন্তের দাবিতে কেজরিওয়াল

অযোধ্যার রাম মন্দির ট্রাস্টের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রাম মন্দির থেকে শত শত কোটি টাকার নৈবেদ্য ও দান চুরির অভিযোগ ঘিরে দেশের রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই চুরির দায়ভার ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়ের ওপর চাপিয়ে তাকে অবিলম্বে সরানোর দাবি জানিয়েছেন কেজরিওয়াল।
বিস্ফোরক অভিযোগ: ২০০ কোটি টাকা উধাও! আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেজরিওয়াল দাবি করেন, মন্দিরের ভাণ্ডার থেকে বিশাল অঙ্কের অর্থ ও অলঙ্কার চুরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, শুধু নগদ প্রায় ২০০ কোটি টাকাই গায়েব হয়েছে, সেই সঙ্গে হীরা ও গহনা ভর্তি বেশ কয়েকটি বাক্সও নিখোঁজ। কেজরিওয়ালের কথায়, “পুরো রাম মন্দির প্রকল্পটি চম্পত রায়ের নিয়ন্ত্রণে। রাম ভক্তরা এবং সনাতনীরা এই খবরে গভীরভাবে মর্মাহত।”
কেজরিওয়ালের ৫টি প্রশ্নের প্রথমটি: চম্পত রায়ের ওপর এত ভরসা কেন? মন্দির চুরির মতো গুরুতর ঘটনার পরেও ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়কে কেন স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আপ প্রধান। কেজরিওয়ালের সওয়াল:
“চম্পত রায়ের বিরুদ্ধেই যখন সর্বাধিক অভিযোগ, তখন তাকে সরানো হচ্ছে না কেন?”
“তাকে কি সমস্ত তথ্য-প্রমাণ লোপাট করার বা সাক্ষীদের প্রভাবিত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে?”
“চম্পত রায়ের পেছনে আসলে কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত রয়েছে?”
‘প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নজরদারিতে মন্দির’ কেজরিওয়াল মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, রাম মন্দির ট্রাস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত। এমন একটি সুরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত জায়গায় কীভাবে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি হয়, তা নিয়ে জনমনে প্রবল সংশয় তৈরি হয়েছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, চম্পত রায় কোনো সাধু বা মহাত্মা নন, তাই এই চুরির দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের পর ট্রাস্ট বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে দেশবাসীর।