তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জী ও কল্যাণ ব্যানার্জীর ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত জাতীয় রাজনীতি। এই আবহে রাজ্যসভার সাংসদ ও প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবালের একটি মন্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সিবাল সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “এমন একটি দেশে বাস করতে আমি লজ্জিত, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমাতে সহিংসতার আশ্রয় নেওয়া হয়।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে সিবাল এটিকে সুপরিকল্পিত হামলা বলে দাবি করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, জয়ের পর প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করা কি গণতন্ত্রের পথ? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লোকসভার স্পিকারের নীরবতা নিয়েও তিনি সরব হয়েছেন।
সিবালের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র শাহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কোটিপতি নেতা যিনি দীর্ঘদিন ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন, তিনি আজ গোটা দেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।” বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বা বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার সময় সিবাল কেন চুপ ছিলেন? এছাড়া, অভিযুক্তদের সাথে তৃণমূলের যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত মেলায় সিবালের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।
একমাত্র ঘটনার প্রেক্ষিতে গোটা দেশের গণতন্ত্রকে অপমান করা কতটা যুক্তিযুক্ত? এই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র, যেখানে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বিচার বিভাগ প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে। সিবালের এই বক্তব্য কি গণতন্ত্রের প্রতি উদ্বেগ, নাকি নিছক রাজনৈতিক প্ররোচনা? আপনার মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান।





