আগামীকাল, ১ জুন থেকে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি (LPG) গ্রাহকদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবং তেল সংস্থাগুলি বেশ কিছু কড়া নতুন নিয়ম চালু করতে চলেছে। বিশেষ করে পিএনজি (PNG) পরিষেবাযুক্ত এলাকায় বসবাসকারী এবং গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন এই কড়াকড়ি সাধারণ মানুষের পকেটে ও দৈনন্দিন রুটিনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
পিএনজি থাকলে এলপিজি নয়! নতুন সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, যেসব এলাকায় পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস বা পিএনজি (PNG) সংযোগের সুবিধা রয়েছে, সেখানে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা কঠিন হতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী:
যদি কোনো বাড়িতে পিএনজি কানেকশন থাকে, তবে ৩০ দিনের মধ্যে পুরনো এলপিজি সংযোগটি বাতিল করতে হবে।
একই ঠিকানায় এলপিজি ও পিএনজি—দুটিই রাখা এখন থেকে ‘নিষিদ্ধ’ বলে গণ্য হবে।
যাঁদের এলাকায় পিএনজি থাকা সত্ত্বেও তা নিচ্ছেন না, তাঁদের এলপিজি সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ বা বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।
‘এক পরিবার, এক সিলিন্ডার’ নীতি গ্যাসের অপচয় রোধ এবং কালোবাজারি আটকাতে কেন্দ্র সরকার এখন ‘One House, One Gas Connection’ নীতিতে জোর দিচ্ছে। এই নতুন নিয়মের ফলে যেসব বাড়িতে ইতিমধ্যেই পিএনজি সংযোগ রয়েছে, সেই পরিবারের সদস্যরা আর নতুন কোনো এলপিজি কানেকশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। তবে স্বস্তির খবর এটাই যে, যদি কোনো গ্রাহক পরে এমন কোনো এলাকায় চলে যান যেখানে পিএনজি নেই, তবে তিনি পুনরায় এলপিজি সংযোগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বুকিংয়ে লক-ইন পিরিয়ড পরিবর্তন এলপিজি সিলিন্ডারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা সামলাতে বুকিংয়ের সময়ের ব্যবধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে:
শহর অঞ্চল: পরপর দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে ২৫ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে।
গ্রামাঞ্চল: দুটি সিলিন্ডারের মাঝে ৪৫ দিনের লক-ইন পিরিয়ড কার্যকর করা হয়েছে। আগে এই সময়সীমা ছিল ২১ দিন।
বাণিজ্যিক গ্যাসে রেকর্ড দামবৃদ্ধি শুধু ঘরের সিলিন্ডার নয়, বাণিজ্যিক বা কমার্শিয়াল (১৯ কেজি) গ্যাস সিলিন্ডারের দামও রেকর্ড হারে বেড়েছে। কলকাতা মেট্রো শহরে এই দাম ১১৪৭ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩৫৫ টাকা হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং মিষ্টির দামের ওপর।





