২০২৬-এর নির্বাচনের শেষবেলায় এসে বড় মাস্টারস্ট্রোক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার ব্যারাকপুরের জনসভা থেকে একদিকে যেমন সপ্তম বেতন কমিশনের (7th Pay Commission) আশ্বাস দিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মন জয়ের চেষ্টা করলেন, অন্যদিকে বেকার যুবক ও ডিজিটাল ক্রিয়েটরদের জন্য একঝাঁক সোনালী ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখালেন তিনি।
সরকারি কর্মীদের জন্য ‘মোদীর গ্যারান্টি’: রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবিকে উসকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা করেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলেই সমস্ত সরকারি কর্মচারী সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাবেন। শুধু তাই নয়, সরকারি কর্মীদের ‘তৃণমূলের ভয়’ থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
নিয়োগ ও স্বচ্ছতায় বড় বদল: বাংলার যুবসমাজের জন্য একগুচ্ছ ‘গ্যারান্টি’ দিয়েছেন মোদী:
স্বচ্ছ নিয়োগ: সরকারি চাকরিতে আর কোনো কারচুপি নয়, স্বচ্ছতার সঙ্গে যথাসময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
রোজগার মেলা: শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণ করে ‘রোজগার মেলা’র মাধ্যমে যুবকদের হাতে সরাসরি নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।
১২৫ দিনের কাজ: বাংলায় ১২৫ দিনের নিশ্চিত রোজগারের গ্যারান্টি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ডিজিটাল ইকোনমি ও ফিউচার সিটি: কলকাতাকে আগামীর ‘সিটি অফ ফিউচার’ বা ভবিষ্যতের শহর করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন মোদী।
ক্রিয়েটর ল্যাব: বাংলার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় সুযোগ আনছে কেন্দ্র। স্কুল ও কলেজে তৈরি হবে বিশেষ ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব’, যাতে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে বাংলা এগিয়ে থাকে।
হকার ও মৎস্যজীবী: পিএম স্বনিধি যোজনার মাধ্যমে রাস্তার হকারদের সাহায্য এবং মৎস্যজীবীদের রোজগার বাড়াতে ‘পিএম মৎস্য সম্পদ যোজনা’ পুরোপুরি লাগু করার কথা বলেন তিনি।
৪ মে-র শপথ গ্রহণের ডাক: নিজের বক্তব্যের শেষে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৪ মে বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমি আবার আসব।” তাঁর এই আত্মবিশ্বাসী সুর এবং একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ কতটা বদলে দেয়, এখন সেটাই দেখার।





