“১২৫ আসনেই জিতছে BJP’!”-প্রথম দফার ভোট নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী শুভেন্দুর!

শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৬-এর মেগা ফাইট। বৃহস্পতিবার ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। বাংলার মসনদ কার দখলে থাকবে, তার ভাগ্য নির্ধারিত হতে পারে এই প্রথম দফার ফলেই। আর এই মাহেন্দ্রক্ষণেই ভোট দিয়ে বেরিয়ে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলায়।

১২৫ আসনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

এদিন দুপুরে নন্দীগ্রামে নিজের বুথে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন:

“আমাকে শুধু পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে আটকে রাখবেন না। আজ যে ১৫২টি আসনে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে ১২৫-এর নিচে নামার কোনও জায়গাই নেই বিজেপির। উত্তরবঙ্গ আর জঙ্গলমহল এবার তৃণমূল সাফ হয়ে গিয়েছে।”

শুভেন্দুর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্য়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দফার এই ১৫০-র বেশি আসনই নির্ধারণ করে দেবে কে বসবে নবান্নের মসনদে।

৫ দশকের রেকর্ড ভাঙার দাবি মোদীর

অন্যদিকে, প্রথম দফার ভোটের দিনেই কৃষ্ণনগরে জনসভা করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যের ভোট পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন:

“গত ৫০ বছরের ইতিহাসে বাংলার বুকে এত কম হিংসার নির্বাচন আর দেখা যায়নি। আগে কাউকে ফাঁসিতে চড়িয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হতো, আজ সেই ভয় নেই। নির্বাচন কমিশন ফের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে।”

মোদী আরও দাবি করেন, যেখানেই অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে, সেখানেই বিজেপি জয়ী হয়েছে। আগামী ৪ মে বাংলাতেও বিজেপির বিজয়ের উৎসব হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

রেকর্ড হারে ভোটদান: এগিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর

২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এবারের বিধানসভা ভোটে মানুষের অংশগ্রহণ অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে:

  • সকাল ১১টা পর্যন্ত গড় ভোট: ৪১.১১ শতাংশ (যা লোকসভা নির্বাচনের চেয়ে প্রায় ৮-১০% বেশি)।

  • শীর্ষে পশ্চিম মেদিনীপুর: এই জেলায় সকাল ১১টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪৪.৬৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটের এই উচ্চ হার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভোটাররা এবার অত্যন্ত সক্রিয়। উত্তর থেকে দক্ষিণ— সর্বত্রই লম্বা লাইন আর মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ২০২৬-এর লড়াইকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy