ভোট যুদ্ধের ময়দানে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দুই শরিক তৃণমূল ও কংগ্রেসের লড়াই এবার প্রকাশ্য রাস্তায়। উত্তরবঙ্গে রাহুল গান্ধীর একের পর এক জনসভার মাঝে কংগ্রেসের অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছা করে রাহুল গান্ধীর পরবর্তী সভার অনুমতি দিচ্ছে না অথবা নানা অজুহাতে বাধার সৃষ্টি করছে।
কংগ্রেসের অভিযোগের তিরে মমতা সরকার
কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, রাহুল গান্ধীর সভার জন্য যে মাঠ বা জায়গার আবেদন করা হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। একে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” হিসেবেই দেখছে প্রদেশ কংগ্রেস। তাঁদের মতে, রায়গঞ্জ ও মালদায় রাহুলের সভায় উপচে পড়া ভিড় দেখেই ভয় পেয়েছে তৃণমূল।
কী বললেন রাহুল গান্ধী?
রায়গঞ্জের সভায় রাহুল গান্ধী নাম না করে মমতা সরকারকে আক্রমণ করে বলেছিলেন, “একদিকে বামেদের শাসন আর তারপর তৃণমূল— দুজনেই বাংলার শিল্প ধ্বংস করেছে। এখানে শুধু তামাশা চলছে।” রাহুল স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, জোট থাকলেও রাজ্যে তৃণমূলের দুর্নীতির প্রশ্নে একচুলও জমি ছাড়বে না কংগ্রেস।
তৃণমূলের পাল্টা জবাব
কংগ্রেসের এই “কোপ”-এর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের দাবি, নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক কোনো টেকনিক্যাল কারণেই সভার অনুমতি বিলম্বিত হতে পারে, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই। বরং কংগ্রেস বিজেপি-র সুবিধা করে দিতেই এমন বিভাজন তৈরি করছে বলে পাল্টা তোপ দাগছে শাসক দল।
নজরে পরবর্তী সভা
মালদা ও রায়গঞ্জের পর রাহুল গান্ধী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে সভা করার কথা। এখন দেখার, কংগ্রেসের এই অভিযোগের পর প্রশাসন পরবর্তী সভার অনুমতি দেয় কিনা।





