কন্যাশ্রী, যুবশ্রী বা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার— মমতা সরকারের জনহিতকর প্রকল্পগুলি বাংলার মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলারা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক জল্পনা অনুযায়ী, মে মাস থেকে নাকি এই প্রকল্পের নাম বদলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ হতে পারে এবং ভাতার পরিমাণ বেড়ে হতে পারে ৩০০০ টাকা।
কী এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার? (জল্পনা বনাম তথ্য)
বর্তমানে নেটদুনিয়ায় এবং বিভিন্ন মহলে একটি তথ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে যে:
ভাতার পরিমাণ: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্তমান ১৫০০-১৭০০ টাকা বেড়ে সরাসরি ৩০০০ টাকা করা হতে পারে।
নতুন নাম: প্রকল্পের নাম বদলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ রাখা হতে পারে।
সময়সীমা: আগামী মে মাস থেকেই নাকি এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
বর্তমান প্রকল্পের অবস্থা (সত্যতা যাচাই)
আমাদের অনুসন্ধানে যা জানা যাচ্ছে: ১. সাম্প্রতিক বৃদ্ধি: রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ২০২৪ সালের শুরুতেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়িয়েছে। সাধারণ জাতির মহিলারা পাচ্ছেন ১৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি/উপজাতির মহিলারা পাচ্ছেন ১৭০০ টাকা। ২. অফিসিয়াল ঘোষণা: রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ চালু করার কোনো সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। ৩. ভোটের অঙ্ক: আগামী ৫ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশ। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের ফলের ওপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বা নতুন কোনো ঘোষণা আসতে পারে।
আবেদন করার পদ্ধতি (যদি চালু হয়)
যদি এই নতুন প্রকল্প চালু হয়, তবে আবেদন পদ্ধতি সম্ভবত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতোই হবে:
দুয়ারে সরকার: সরকারি ক্যাম্প বা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে ফর্ম জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথি: আধার কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, কাস্ট সার্টিফিকেট এবং নিজের নামে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি।
যোগ্যতা: ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী বাংলার স্থায়ী নিবাসী মহিলারা।





