টিনসেল টাউনে আজ খবর অফুরান। একদিকে যেমন অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসি নিশ্চিত করলেন তাঁর নতুন ছবির খবর, তেমনই অন্যদিকে বলিউডের ভাইজান সলমন খান প্রকাশ্যে আনলেন তাঁর এক পুরনো ভয়াবহ কষ্টের কথা।
বিক্রান্তের ‘দোস্তানা’ লুকে চমক
বলিউড অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসি এবার নতুন অবতারে হাজির হতে চলেছেন ধর্ম প্রোডাকশনের ছবি ‘দোস্তানা ২’-এর মাধ্যমে। এটিই তাঁর প্রথম ধর্ম প্রোডাকশনের সিনেমা। এই ছবির মূল কাস্টে শুরুতে ছিলেন কার্তিক আরিয়ান, জাহ্নবী কাপুর এবং লক্ষ্ম্য লালওয়ানি। কাস্ট পরিবর্তন হওয়ার পর ছবিতে এখন বিক্রান্ত এবং লক্ষ্ম্য অভিনয় করবেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিক্রান্ত তাঁর ভূমিকার কথা নিশ্চিত করে জানান, এই ছবিতে দর্শক তাঁকে একেবারেই নতুন রূপে দেখতে পাবেন। তিনি বলেন, “খুব শিগগিরই আমায় ওই ভূমিকায় দেখতে পাবেন। হ্যাঁ, আমি দোস্তানা ২ করছি।”
বিক্রান্ত আরও বলেন, “ওই ছবিতে আমায় দারুণ সব ডিজাইনার পোশাক পরতে দেখা হবে। করণ (জোহর) স্যার নিশ্চিত করবেন যাতে আমি সুন্দর পোশাক পরি আর সেই ফ্যান্সি সানগ্লাসগুলোও পরি। শুটিং হবে ইউরোপের কোথাও।” অর্থাৎ, চরিত্র এবং পোশাকে বিক্রান্তের জন্য অপেক্ষা করছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অবতার।
‘পার্টনার’ ছবির সময় সলমনের অসহনীয় যন্ত্রণা
বলিউড সুপারস্টার সলমন খান সম্প্রতি আমির খানের সঙ্গে টুইঙ্কল খান্না এবং কাজলের চ্যাট শো ‘টু মাচ’-এর প্রথম পর্বে হাজির হয়েছিলেন। সেখানেই তিনি জানালেন, ‘পার্টনার’ ছবির শুটিং চলাকালীন প্রথমবার তিনি ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ার ভয়াবহ যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়েছিলেন।
সলমন বলেন, “আমার যখন ট্রাইজেমিনাল নিউরোলজিয়া হয়েছিল, তখন ব্যথাটা এতটাই অসহনীয় ছিল যে, সেটা নিজের সবচেয়ে বড় শত্রুর জন্যও কামনা করব না।”
তিনি জানান, টানা সাড়ে সাত বছর এই কষ্ট তাঁকে ভোগ করতে হয়েছে। প্রতি চার-পাঁচ মিনিট অন্তর হঠাৎ ব্যথা শুরু হতো। সলমনের কথায়, “জলখাবার খেতে প্রায় দেড় ঘণ্টা লেগে যেত, তারপর সরাসরি রাতের খাবারে চলে যেতাম। একটা সাধারণ অমলেট খেতেও আমাকে নিজেকে জোর করতে হত, ব্যথা সহ্য করতে হত, যাতে কোনও ভাবে খাওয়াটা শেষ করা যায়।”
আহত র্যাপার বাদশা: চোখে কেন আঘাত?
র্যাপার এবং গায়ক বাদশা সম্প্রতি চোখে আঘাত লাগা অবস্থায় একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন। যদিও তিনি আঘাতের সঠিক কারণ প্রকাশ করেননি, তবে রিপোর্টে জানা গেছে, তাঁর বাম চোখে কর্নিয়ার অ্যাব্রেশন-এর চিকিৎসা করা হয়েছে।
জানা গেছে, বাদশাহ তাঁর উত্তর আমেরিকা ট্যুরের শেষ পর্যায়ে এই আঘাত পান। শেষ অনুষ্ঠানে পারফর্মেন্সের শুরুতেই কিছু একটা তাঁর চোখে চলে যায়। যদিও অস্বস্তি সত্ত্বেও তিনি পুরো অনুষ্ঠান শেষ করেন। পরে ভারতীয় ডাক্তারকে দেখালে তাঁর চোখে কর্নিয়ার অ্যাব্রেশন ধরা পড়ে এবং চিকিৎসক তাঁকে পাঁচ দিন চোখে প্যাচ পরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।





