বলিউডে ‘দবং’ ছবিটি দিয়ে সাফল্য পেলেও এই ছবির পরিচালক অভিনব কাশ্যপ এবং অভিনেতা সলমন খানের মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই তিক্ত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনব সলমনকে নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি সলমনের চেহারা নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বলেন যে, তার সুঠাম পেশিবহুল শরীর আসলে ‘ইনজেকশন দিয়ে বানানো বেলুন’।
অভিনবের অভিযোগ ও দাবি
সলমনের শরীর: অভিনবের দাবি, সলমন শরীর ফোলাতে এবং পেশি সুডৌল করতে প্রচুর ইনজেকশন ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, “ও আসলে একটা বেলুন! ওর শরীরের সব হাড়-মাংস সব ঘেঁটে গিয়েছে।” তার মতে, সলমন ক্যামেরার সামনে ভালো দেখাতে হাফ-পুশ আপ করেন।
অভিনয়ের প্রতি অনীহা: অভিনব কাশ্যপ আরও অভিযোগ করেন, সলমন অভিনয় নিয়ে আগ্রহী নন। গত ২৫ বছর ধরে তিনি কেবল তার তারকাখ্যাতির ওপর ভরসা করে চলছেন। অভিনবের মতে, সলমন একজন ‘গুণ্ডা, বদমেজাজি, এবং অশুভ মনোভাবের অধিকারী’।
‘দবং’ ছবির পেছনের গল্প: অভিনব জানান, তিনি প্রথমে রনদীপ হুডাকে প্রধান চরিত্রের জন্য ভেবেছিলেন। কিন্তু খান পরিবার তাকে বাদ দিয়ে সলমনকে নিতে চাপ দেয়। আরবাজ খান নিজেই প্রথমে চুলবুল পান্ডে হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে মানানসই না লাগায় তিনি এবং মালাইকা অরোরা প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হন।
সোনু সুদ প্রসঙ্গে: পরিচালকের দাবি, সলমন নাকি প্রথমে সোনু সুদের পেশিবহুল চেহারা দেখে ‘নিরাপত্তাহীনতায়’ ভুগেছিলেন। তবে ক্যাটরিনা কইফের মধ্যস্থতায় সোনু ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান।
সলমন অনুরাগীদের প্রতিক্রিয়া
অভিনবের এই মন্তব্যের পর সলমনের অনুরাগীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কড়া সমালোচনা করেছেন। একজন লিখেছেন, “প্রথমে নিজের পেট কমাও, চেহারা ঠিক কর। তারপর এসব মন্তব্য করো।” আরেকজন নেটিজেন বলেছেন, সলমন তার পোস্টারের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে স্বাস্থ্য সচেতন হতে অনুপ্রাণিত করেছেন।
অভিনব কাশ্যপ হলেন বিখ্যাত পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের ছোট ভাই। ‘দবং’ (২০১০) ছবিটি পরিচালনা করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন, যা সলমনের অন্যতম সফল কামব্যাক ছবি হিসেবে গণ্য হয়।





