বিভিন্ন ধরনের ডেজার্ট তৈরিতে কিশমিশের ব্যবহার হয়ে থাকে। খাবারের মধ্যে মিশিয়ে হোক আর এমনি এমনি হোক, কিশমিশ বহু মানুষেরই খুব প্রিয়। শুধু মুখের স্বাদের জন্যই নয়, সারা দিনের কর্মশক্তির অন্যতম উৎস হতে পারে এই শুকনো ফল।
তবে আঙুর বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকলেও কিশমিশ সাধারণত কালোই হয়। আর এই কালো কিশমিশ আমাদের শরীরের জন্য অধিক উপকারী। পুষ্টিবিদেরাও বলছেন, সাধারণ কিশমিশের চেয়ে কালো কিশমিশের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি।
কালো কিশমিশে এমন কী কী আছে?
১. কালো কিশমিশে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। এতে আছে পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো উপাদান, যা দেহের ফ্রি র্যাডিক্যালের সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে কালো কিশমিশ।
২. এই কিশমিশে আয়রনের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে এই ফলটি। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার সমস্যায় ভুগছেন যারা, তাদের জন্য ঘরোয়া টোটকা হিসেবে কালো কিশমিশ ভালো।
৩. কালো কিশমিশে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। হজমের সমস্যা কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে এই খাবারটি দারুণ পথ্য হতেই পারে। অন্ত্রের ভালো ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে কালো কিশমিশ।
৪. কিশমিশে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি। এই খনিজটি হার্টের জন্য ভালো। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে, রক্তে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে এই খনিজটি।
৫. হাড়, দাঁতের জোর বাড়িয়ে তুলতে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। কালো কিশমিশে এই খনিজটি রয়েছে ভরপুর মাত্রায়। নিয়মিত এই ফলটি খেলে হাড় মজবুত হয়। অস্টিয়োপোরোসিসের সমস্যা প্রতিরোধ করতে আগে থেকে কালো কিশমিশ খাওয়া শুরু করা যেতে পারে।





