বৃদ্ধ বাবা মায়ের ডায়েট চার্ট যেমনটা হওয়া দরকার ,এড়িয়ে না গিয়ে পড়ুন

নির্দিষ্ট কোনো অসুখ না থাকলে, বাড়ির খাবারে বাধা নেই কিছুতেই। তবে বয়স্ক ব্যক্তিদের কঠিন ডায়েটে না বেঁধে, তাদের মুড বুঝে মাঝেমধ্যে পছন্দের খাবার দেওয়া যেতে পারে। তবে বয়স হলে দাঁতের জোর কমে যায়, দাঁত পড়ে যায়। ফলে চিবিয়ে খেতে সমস্যা হয়।আবার গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটখারাপ এ সমস্যাগুলো লেগেই থাকে।

বয়স যত বাড়ে, রোগ যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ে। চিকিৎসকদের মতে, বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় ইটিং ডিজ়অর্ডার। অনেকের যেমন খাবারে অনীহা তৈরি হয়, তেমনই অনেকের মধ্যে ভুলভাল খাবার খেয়ে নেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। বয়স্কদের জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস খুব জরুরি।

ডায়াটিশিয়ানদের পরামর্শ

১. বয়স্ক ব্যক্তির অবশ্যই প্রোটিন প্রয়োজন, যা সেল গ্রোথ, হিমোগ্লোবিন ফরমেশন, হরমোনাল ব্যালান্স ঠিক রাখার কাজ করবে। প্রোটিন জাতীয় খাবার দিতে হবে। চিকেন, মাছ, ডিম সবই রাখা যায় খাদ্য তালিকায়। দিনে যেকোনো দুটো প্রাণিজ প্রোটিন দেওয়া যেতে পারে।

২. ডিমের কুসুমে সমস্যা থাকলে ডিমের সাদা অংশ খেতে দিতে পারেন। রোজকার খাবারে মাছ রাখা যেতে পারে। অন্যান্য প্রাণিজ প্রোটিনের তুলনায় মাছ সহজে হজম হয়।

৩. সরাসরি দুধ খেতে সমস্যা হলে ছানা, পনির দেওয়া যায়। এছাড়া ঘরে পাতা টক দই খুব ভাল প্রোবায়োটিক। দই অন্য খাবার হজম করায়।

৪. বয়স্ক ব্যক্তিদের একবারে বেশি খাবার না দিয়ে অল্প করে বারবার খেতে দিন। বাইরের খাবারের বদলে বাড়িতে তৈরি কম তেলমশলাযুক্ত খাবার দিন।

৫. সেমি-সলিড, লিকুইড খাবার দিতে হবে। প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় ড্রাই ফ্রুটস রাখা যেতে পারে, একটা খেজুর, দুটো করে ওয়ালনাট, আমন্ড, বাদাম, কিশমিশ।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy