দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ এক গভীর সংকটের মুখে। সম্প্রতি ‘ল্যানসেট কমিশন অন অ্যাডোলেসেন্ট হেলথ’-এর একটি প্রতিবেদনে এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি কিশোর-কিশোরী বিষণ্ণতা, স্থূলতা (Obesity) এবং গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির শিকার হতে পারে। এখনই সঠিক পদক্ষেপ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যেই এই পরিস্থিতি দানবীয় রূপ ধারণ করবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৪৬ কোটির বেশি তরুণ স্থূলতার শিকার হবে, যা পরবর্তী জীবনে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে ১২ বছর বয়সের আগেই শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়াকে বিষণ্ণতা এবং ঘুমের ব্যাঘাতের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডিজিটাল যুগে ‘সাইবারবুলিং’ এবং অনলাইন হয়রানি শিশুদের মানসিক অবস্থাকে আরও ভঙ্গুর করে তুলছে।
প্রতিরোধের উপায়: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের ‘স্ক্রিন টাইম’ কমিয়ে শারীরিক খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা এবং আচরণের পরিবর্তন (যেমন খিটখিটে মেজাজ বা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া) লক্ষ্য করা জরুরি। শৈশবকে প্রযুক্তির নেশা থেকে মুক্ত করে সুস্থ পরিবেশ দেওয়াই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।





