২০২৬-এর হাইভোল্টেজ নির্বাচনের প্রাক্কালে ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। এবার ভোটারদের টাকা দিয়ে প্রভাবিত করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল শাসকদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করতে নগদ টাকা বিলি করার সময় ওই নেতাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সূত্রপাত:
বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, নন্দীগ্রামের একটি বিশেষ এলাকায় তৃণমূলের এক প্রভাবশালী নেতা গোপনে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা দিচ্ছিলেন। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যান বিজেপি কর্মীরা। পালানোর চেষ্টা করলে ওই নেতাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে খবর দেওয়া হয় নন্দীগ্রাম থানায়।
পুলিশি তৎপরতা ও গ্রেফতারি:
নন্দীগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই নেতার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থের কোনো বৈধ কারণ দেখাতে না পারায় পুলিশ শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করে।
রাজনৈতিক চাপানউতোর:
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোরদার রাজনৈতিক তর্জা। বিজেপির দাবি, “তৃণমূল জয়ের আশা ছেড়ে দিয়ে এখন টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে।” অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে জানানো হয়েছে, এটি বিজেপির সাজানো চক্রান্ত। এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে নন্দীগ্রামের নির্বাচনী উত্তাপ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে।





