রোদে পোড়া ভাব (Tan), সস্তার লিপস্টিক ব্যবহার, ডিহাইড্রেশন কিংবা অতিরিক্ত চা-কফি খাওয়ার ফলে ঠোঁটের কোণে এবং চারপাশে কালচে ছোপ পড়ে যায়। অনেক সময় মরা চামড়া জমে ঠোঁট তার স্বাভাবিক গোলাপি রং হারায়। পার্লারে গিয়ে দামী ট্রিটমেন্ট না করে রান্নাঘরের সাধারণ কিছু উপাদান দিয়েই আপনি ফিরে পেতে পারেন আকর্ষণীয় ঠোঁট।
কালচে দাগ দূর করার ৫টি অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়:
১. লেবু ও চিনির স্ক্রাব:
লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এক টুকরো লেবুর ওপর সামান্য চিনি ছড়িয়ে ঠোঁটে হালকা হাতে ২-৩ মিনিট ঘষুন। এটি মরা চামড়া তুলে ফেলে কালচে ভাব দ্রুত দূর করে। সপ্তাহে দুবার এটি করুন।
২. বিটের রস (Beetroot):
গোলাপি ঠোঁট পেতে বিটের রস সবথেকে কার্যকরী। রাতে ঘুমানোর আগে এক টুকরো টাটকা বিট ঠোঁটে ঘষুন অথবা বিটের রস লাগিয়ে রাখুন। এতে থাকা প্রাকৃতিক রঞ্জক ঠোঁটের কালো ভাব দূর করে গোলাপি আভা ফিরিয়ে আনে।
৩. মধু ও লেবুর রস:
এক চামচ মধুর সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। মধু ঠোঁটকে ময়েশ্চারাইজ করে আর লেবু দাগ ছোপ দূর করে। ধোয়ার পর ঠোঁট হবে তুলতুলে নরম।
৪. শসার রস:
চোখের নিচের কালচে ভাব দূর করার মতো ঠোঁটের কালচে দাগ কমাতেও শসার রস দারুণ। প্রতিদিন কয়েক মিনিট শসার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখলে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং কালচে ছোপ কমে।
৫. অ্যালোভেরা জেল:
যদি আপনার ঠোঁট ফাটা এবং কালচে হয়, তবে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। এটি ঠোঁটের প্রদাহ কমায় এবং ভেতর থেকে পুষ্টি জুগিয়ে জেল্লা বাড়ায়।
জরুরি কিছু টিপস:
জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না: আমাদের অনেকের অভ্যাস আছে বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। লালা বা স্যালাইভা ঠোঁটকে আরও শুষ্ক ও কালো করে দেয়।
প্রচুর জল খান: শরীরের ভেতর ডিহাইড্রেশন থাকলে ঠোঁট সবার আগে কালো হয়ে যায়। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন।
সানস্ক্রিন ব্যবহার: রোদে বেরোনোর সময় এসপিএফ (SPF) যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
বিশেষজ্ঞের টিপস: রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে সামান্য ঘি বা নাড়কেল তেল লাগিয়ে শুতে যান। কয়েক দিনেই তফাৎটা নিজের চোখে দেখতে পাবেন।