আইপিএল ২০২৬-এর হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম চেন্নাই সুপার কিংস লড়াইয়ে সাক্ষী থাকল এক নজিরবিহীন ঘটনার। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সিএসকে-র বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের হয়ে মাঠে নামলেন মোট ১৩ জন ক্রিকেটার! ক্রিকেটের ইতিহাসে ১১ জন এবং ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার মিলিয়ে ১২ জনের খেলার নিয়ম থাকলেও শার্দুল ঠাকুরের অন্তর্ভুক্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে সিএসকে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ১০১ রানের শতরানের সৌজন্যে ২০৭ রানের পাহাড় গড়ে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মুম্বইয়ের ইনিংস তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। সূর্যকুমার যাদব (৩৬) এবং তিলক বর্মা (৩৭) লড়াই করলেও বাকিরা ব্যর্থ হন। তবে ম্যাচের আসল চমক দেখা যায় দ্বিতীয় ইনিংসের ১৩তম ওভারে। নুর আহমেদের বলে হার্দিক পান্ডিয়া ও শেরফেন রাদারফোর্ড আউট হওয়ার পর মাঠে নামেন শার্দুল ঠাকুর। আশ্চর্যের বিষয় হলো, শার্দুল না ছিলেন মূল একাদশে, না ছিলেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের তালিকায়।
আসলে শার্দুল ঠাকুর মাঠে নেমেছিলেন ‘কনকাশন সাবস্টিটিউট’ হিসেবে। প্রথম ইনিংসে ফিল্ডিং করার সময় ক্যাচ ধরতে গিয়ে কাঁধে গুরুতর চোট পান মিচেল স্যান্টনার। স্যান্টনারের শারীরিক অবস্থা দেখে আম্পায়াররা মুম্বইকে কনকাশন সাবস্টিটিউট নেওয়ার অনুমতি দেন। যদিও এই ‘তেরো নম্বর’ অস্ত্রও মুম্বইয়ের হার বাঁচাতে পারেনি। ১২ বলে মাত্র ৬ রান করে আউট হন শার্দুল। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে মাত্র ১০৪ রানে অল-আউট হয়ে যায় মুম্বই এবং ১০৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস।





