পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার নির্বাচনে ১৫২টি আসনে ৯২ শতাংশের কাছাকাছি রেকর্ড ভোট পড়তেই বড় দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর মতে, এই নজিরবিহীন ভিড় আসলে পরিবর্তনেরই আগাম শিলমোহর। বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরে এক নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, বাংলার মানুষ এবার ভয়মুক্ত হয়ে বুথে গিয়েছেন এবং এই বিপুল ভোটদানই প্রমাণ করছে যে নবান্নে পরিবর্তনের ঘণ্টা বেজে গিয়েছে।
রেকর্ড ভোটদান ও মোদীর আশ্বাস
কৃষ্ণনগরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “বাংলার মায়েরা, বোনেরা এবং যুবকরা যেভাবে রোদের তাপ উপেক্ষা করে বুথে লাইন দিয়েছেন, তাতে আমি নিশ্চিত যে বিজেপি এবার ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি বা বিপুল জয় পেতে চলেছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম বাংলায় নূন্যতম হিংসার মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যার কৃতিত্ব তিনি নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছেন।
তৃণমূলকে ‘ঝালমুড়ি’ কটাক্ষ
সম্প্রতি ঝাড়গ্রাম সফরে গিয়ে রাস্তার ধারের দোকান থেকে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন মোদী। সেই প্রসঙ্গ টেনে এদিন তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “আমি ঝালমুড়ি খেলাম, আর ঝাঁজ লাগল তৃণমূল নেতাদের! এই ঝাঁজই বলে দিচ্ছে ওরা ভোটে হারছে।” তাঁর দাবি, ১৫ বছরের ‘সিন্ডিকেট রাজ’ এবং ‘মহা জঙ্গলরাজ’-এর এক্সপায়ারি ডে (Expiry Date) হলো আগামী ৪ মে।
১০টি গ্যারান্টি ও সিএএ (CAA) কার্ড
প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রচারে ঝড় তুলছেন মোদী। বিশেষ করে মতুয়া এবং উদ্বাস্তু ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “মতুয়া বা শরণার্থী পরিবারগুলো ভয় পাবেন না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে।” এছাড়া বাংলার মহিলাদের জন্য বার্ষিক ৩৬,০০০ টাকা এবং সুরক্ষার ‘১০টি গ্যারান্টি’র প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।





