নব্বইয়ের দশকের সেই চেনা সুর, লাল জ্যাকেট আর সেই আইকনিক হাসি— সবটাই ফিরছে বড় পর্দায়! দীর্ঘ ৩৩ বছর পর নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক ছবি ‘খলনায়ক’ (Khalnayak)-এর সিক্যুয়েল নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন সুপারস্টার সঞ্জয় দত্ত। ছবির নাম রাখা হয়েছে ‘খলনায়ক রিটার্নস’ (Khalnayak Returns)। বলিপাড়ার খবর অনুযায়ী, শুধু ‘খলনায়ক’ নয়, তাঁর আরও একটি ২৭ বছরের পুরনো সুপারহিট ছবির কাজও শুরু হতে চলেছে খুব শীঘ্রই।
ফিরছে ‘বুল্লু’ বলরামের জাদু: ১৯৯৩ সালে সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘খলনায়ক’ ছবি বক্স অফিসে যে সুনামি এনেছিল, তা আজও চলচ্চিত্র প্রেমীদের মনে তাজা। সঞ্জয় দত্তর সেই অ্যান্টি-হিরো অবতার আজও আইকনিক। এতদিন জল্পনা থাকলেও, এবার সঞ্জু বাবা নিজেই সবুজ সংকেত দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, সিক্যুয়েলের চিত্রনাট্যের কাজ প্রায় শেষের দিকে এবং সুভাষ ঘাইয়ের প্রোডাকশন হাউসের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন অভিনেতা।
২৭ বছর পর কোন ছবি ফিরছে? স্রেফ ‘খলনায়ক’ নয়, শোনা যাচ্ছে সঞ্জয় দত্তর ‘দাগ: দ্য ফায়ার’ (Daag: The Fire) বা ‘দুশমন’-এর মতো পুরনো হিট কোনো প্রজেক্টের রিবুট বা সিক্যুয়েল নিয়েও কথা চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। বিশেষ করে জ্যাকি শ্রফ এবং সঞ্জয় দত্তর সেই জুটিকে পুনরায় পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন ফ্যানেরা।
পুরনো কাস্টিং কি ফিরবে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো— জ্যাকি শ্রফ এবং মাধুরী দীক্ষিত কি থাকছেন? যদিও ছবির নির্মাতা বা সঞ্জয় দত্ত এই নিয়ে এখনও খোলসা করে কিছু বলেননি, তবে সূত্র বলছে, গল্পের খাতিরে জ্যাকি শ্রফকে (রাম) অবশ্যই দেখা যাবে। মাধুরী দীক্ষিতের থাকা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও কোনো স্পেশাল ক্যামিও বা ফ্ল্যাশব্যাকে তাঁকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
সঞ্জয় দত্তর বক্তব্য: এদিন একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, “আমি সবসময়ই চেয়েছি খলনায়কের গল্প এগিয়ে নিয়ে যেতে। সুভাষ জির সঙ্গে এই নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। অবশেষে আমরা একটা দুর্দান্ত প্লট পেয়েছি। নতুন প্রজন্মের কাছে বুল্লু বলরামকে পৌঁছে দিতে আমি মুখিয়ে আছি।”
উপসংহার: বলিউডে এখন সিক্যুয়েলের জোয়ার। ‘গদর ২’-এর সাফল্যের পর পুরনো হিট ছবিগুলোর ওপর ভরসা রাখছেন প্রযোজকরা। ৩৩ বছর আগের সেই উন্মাদনা কি ২০২৬-এও ফেরাতে পারবেন সঞ্জয় দত্ত? সেটা দেখার জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ভক্তকুল।





