দেশের অন্যতম স্বর্ণ রপ্তানিকারক সংস্থা রাজেশ এক্সপোর্টস এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির (SEBI) মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। সেবির সাম্প্রতিক ১০৯ পৃষ্ঠার এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে রাজেশ এক্সপোর্টসের বিরুদ্ধে রাজস্ব অতিরঞ্জিত করার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির প্রাথমিক ফরেনসিক অডিট রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কোম্পানির প্রদর্শিত রাজস্বের প্রায় ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশই কাল্পনিক বা স্ফীত হতে পারে।
এই ঘটনাপ্রবাহের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কোম্পানির শেয়ার দরে। বৃহস্পতিবার বিএসইতে রাজেশ এক্সপোর্টসের শেয়ার ৫ শতাংশ লোয়ার সার্কিটে পৌঁছে ১০৪.৬৫ টাকায় নেমে আসে। সেবির নির্দেশে কোম্পানির প্রোমোটার রাজেশ মেহতার ওপরও শেয়ার কেনাবেচায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে রাজেশ এক্সপোর্টস। কোম্পানির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সেবির আদেশটি শুধুমাত্র অন্তর্বর্তীকালীন এবং কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সংস্থাটি দাবি করেছে, তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং সমস্ত নথিপত্র তদন্তকারী সংস্থাকে প্রদান করা হচ্ছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষের দাবি, তথ্যের অসংগতির পেছনে শুধুমাত্র ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে। বর্তমানে লগ্নিকারীদের নজর রয়েছে সেবির পরবর্তী পদক্ষেপ এবং কোম্পানির জমা দেওয়া নথি পর্যালোচনার দিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোম্পানিটি যদি এই গুরুতর অভিযোগের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিতে পারে, তবে অদূর ভবিষ্যতে তাদের আইনি ও আর্থিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।





