রেকর্ড ভেঙে চুরমার! স্বাধীনতার পর বাংলায় সর্বোচ্চ ভোটদান, এবার নজরে হাইভোল্টেজ দ্বিতীয় দফা

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে সৃষ্টি হল এক অভাবনীয় নজির। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাজ্যে ভোটদানের সমস্ত রেকর্ড ছাপিয়ে গেল এবারের বিধানসভা নির্বাচন। প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে অবিশ্বাস্য ৯২.৩৫ শতাংশ। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। এবার লক্ষ্য ২৯শে এপ্রিল, অর্থাৎ নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার মহারণ।

আগামী ২৯শে এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গের ৭টি জেলার মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দফায় ভাগ্য নির্ধারিত হবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং দুই ২৪ পরগনার মতো রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলির। এছাড়া পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়া জেলাতেও রয়েছে একগুচ্ছ হাইভোল্টেজ কেন্দ্র।

একনজরে জেলাভিত্তিক আসন বিভাজন:

কলকাতা (১১টি আসন): ভবানীপুর থেকে কলকাতা বন্দর, বালিগঞ্জ থেকে মানিকতলা— তিলোত্তমার নাড়ি টিপবে এই ১১টি কেন্দ্র।

উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৬৪টি আসন): ভাঙড়, সন্দেশখালি, ডায়মন্ড হারবার ও টালগঞ্জ-বেহালার মতো হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রগুলিতে কড়া টক্কর।

হাওড়া ও হুগলি (৩৪টি আসন): সিঙ্গুর, বালি ও ডোমজুড়ের মতো আসনে শিল্প ও উন্নয়নই প্রধান ইস্যু।

নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমান (৩৩টি আসন): শান্তিপুর, কল্যাণী থেকে কালনা, কাটোয়া— কৃষিজীবী ও মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক এই পর্বে ফ্যাক্টর হতে পারে।

প্রথম দফার বিপুল ভোটদানের পর দ্বিতীয় দফাতেও কি বাংলার মানুষ একইরকম উৎসাহ দেখাবেন? সেই উত্তরের অপেক্ষায় এখন গোটা রাজ্য। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে ১৪২টি আসনকেই।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy