বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিত শুভেন্দু অধিকারী ফের একবার স্পষ্ট করলেন তাঁর অগ্রাধিকার। ফলতার পুনর্নির্বাচনের প্রাক্কালে এক জনসভায় তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সাংবিধানিক পদের চেয়েও তাঁর কাছে বড় পরিচয়—তিনি একজন নিষ্ঠাবান বিজেপি কর্মী। ব্যক্তিগত পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি নিজেকে দলের একনিষ্ঠ সেবক হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করতে চান।
প্রশাসনিক বৈঠক থেকে রাজনৈতিক সভা, শুভেন্দুর ব্যস্ত শিডিউলের মাঝেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন তিনি। বিরোধী দলনেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী—তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপেই ফুটে উঠছে এক দৃঢ় সংকল্প। বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি কর্মীদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন, আইন হাতে না তুলে বরং ধৈর্য ধরতে। তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘অতীতের সব অত্যাচারের হিসেব নেওয়া হবে।’’
সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে শুভেন্দু চালু করছেন এক অনন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা। জেলা সভাপতিদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ सीधे হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, ‘‘ঝান্ডা বা ব্যক্তির বদল নয়, আমরা চাই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন।’’ কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ ও মাফিয়াতন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলে বাংলায় সুশাসন ফেরানোই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর কথায়, ‘‘বিজেপি শাসনে কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। প্রকৃত সার্বিক পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য।’’





