পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতিতে কোনো খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটে রাজ্যের কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর আসতেই নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ আরও শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ করতে এক ধাক্কায় আরও ১১ জন নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক (Police Observer) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের এই কড়া পদক্ষেপের নেপথ্যে: সূত্রের খবর, এই ১১ জন নতুন পর্যবেক্ষকই আসছেন ভিনরাজ্য থেকে। এর আগে সারা রাজ্যের জন্য ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় এই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার অর্থ হলো— প্রতিটি বুথে ও স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি আরও কয়েক গুণ আঁটোসাঁটো করা।
বিশেষ নজর যে বিষয়গুলোতে:
বহিরাগত রোখা: সীমান্ত এবং আন্তঃজেলা চেকপোস্টগুলোতে বহিরাগতদের গতিবিধি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।
কুইক রেসপন্স টিম (QRT): কোনো অশান্তির খবর পাওয়া মাত্রই যাতে কয়েক মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কুইক রেসপন্স টিম পৌঁছাতে পারে, তা নিশ্চিত করা।
পক্ষপাতহীন পুলিশি ব্যবস্থা: নতুন এই পর্যবেক্ষকদের মূল দায়িত্ব হবে স্থানীয় পুলিশের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং ভোটারদের ভয়মুক্ত করা।
নিরাপত্তার নতুন ছক: দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন (২৯ এপ্রিল, ২০২৬) যাতে কোনোভাবেই বুথ জ্যাম বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ না ওঠে, তার জন্য এই ১১ জন পর্যবেক্ষককে বিশেষ স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর দায়িত্বে পাঠানো হচ্ছে। তাঁরা সরাসরি কমিশনের কাছে প্রতি মুহূর্তের রিপোর্ট জমা দেবেন।
কমিশন সূত্রের খবর: “প্রথম দফার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে হাঁটছি। ১১ জন অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্যই হলো সাধারণ ভোটারদের মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।”





