ফুটবল বিশ্বের অবিসংবাদী সম্রাট লিওনেল মেসি। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ট্রফি উপহার দেওয়ার পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের একটাই প্রশ্ন ছিল—মেসি কি ২০২৬ বিশ্বকাপেও দেখা দেবেন? সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই কিংবদন্তি আবারও মাঠে নামতে প্রস্তুত। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মেসির সামনে সুযোগ রয়েছে নতুন করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর। এমন ৫টি রেকর্ড রয়েছে যা এবারের আসরেই ভেঙে দিতে পারেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক:
১. সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড: বর্তমানে বিশ্বকাপে ২৬টি ম্যাচ খেলে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মেসি। ২০২৬ আসরে মাঠে নামলেই তিনি এই রেকর্ডটিকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবেন, যা হয়তো ভবিষ্যতে ভাঙা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
২. বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা: বর্তমানে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজে (১৬ গোল)। মেসি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ১৩টি গোল করেছেন। ক্লোজাকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে উঠতে হলে তাকে এবারের আসরে অন্তত ৪টি গোল করতে হবে।
৩. সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: এবারের আসরে মাঠে নামলেই মেসি ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার বিরল নজির গড়বেন, যা ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
৪. সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড: বিশ্বকাপে গোল তৈরির কারিগর হিসেবেও মেসি অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বেশ কিছু রেকর্ড ইতিমধ্যেই তার দখলে রয়েছে, এবারের আসরে আরও কিছু অ্যাসিস্ট যোগ করতে পারলে তিনি এই তালিকার শীর্ষস্থানটিকে আরও পোক্ত করবেন।
৫. টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক: ফুটবল ইতিহাসে ইতালি (১৯৩৪-৩৮) ও ব্রাজিল (১৯৫৮-৬২) টানা দুইবার বিশ্বকাপ জিতলেও, ভিন্ন ভিন্ন অধিনায়ক সেবার দায়িত্ব সামলেছিলেন। মেসি যদি আর্জেন্টিনা দলকে আবারও চ্যাম্পিয়ন করতে পারেন, তবে তিনি প্রথম অধিনায়ক হিসেবে টানা দুবার বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার রেকর্ড গড়বেন।
ফুটবলপ্রেমীরা এখন তাকিয়ে আছেন উত্তর আমেরিকার মাঠের দিকে। নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে মেসি কি পারবেন আরও একটি রূপকথার গল্প লিখতে? উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।





