ভোটের আগে শেষ রবিবারের মেগা প্রচারে রণংদেহি মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ল্যান্সডাউন থেকে কালীঘাট ফায়ার স্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ পদযাত্রার পর ক্যামাক স্ট্রিট ও ভবানীপুরে পর পর জনসভা করেন তিনি। শনিবার চক্রবেড়িয়ায় মাইক বিভ্রাটের জেরে সভা ছাড়লেও, রবিবার চড়া সুরে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিশানা করলেন তিনি।
বর্ডার দিয়ে ঢুকছে বন্দুক ও টাকা!
ভবানীপুরের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করেন, “রাজ্যে বন্দুক আর গুন্ডা পাঠিয়ে দিয়েছে বিজেপি। ওড়িশা আর বিহার বর্ডার খুলে দেওয়া হয়েছে। যে পুলিশ দিয়ে আমি নাকা চেকিং করাতাম, কমিশন তাঁদের সরিয়ে দিয়েছে। এখন সেই সুযোগে বর্ডার দিয়ে কোটি কোটি টাকা, ড্রাগ আর অস্ত্র ঢুকছে।” তাঁর সাফ দাবি, বিজেপি নিজে ‘ডাকাতের সর্দার’ হয়ে তৃণমূলকে চোর বলছে।
পুলিশকে হুঁশিয়ারি ও ‘দিদি’র রক্ষাকবচ:
এদিন রাজ্যের পুলিশ কর্মীদের একাংশকেও কড়া বার্তা দেন মমতা। গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যাঁরা এখন অন্যায়ভাবে অ্যারেস্ট করছেন, ভবিষ্যতে নিজেরা অ্যারেস্ট হওয়ার কথা ভেবে রাখবেন। পাপ বাপকেও ছাড়ে না!” পাশাপাশি সাধারণ ভোটার ও কর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “পুলিশ থানায় ডেকে মুচলেকা দিতে বললে দেবেন না। ভয় পাবেন না, মনে রাখবেন দিদি মরে যায়নি। দিদি লড়াই করতে জানে।”
ভবানীপুর ও কালীঘাট থানার সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের সমালোচনা করে মমতা জানান, ৩০ মে পর্যন্ত আদালতের রক্ষাকবচ রয়েছে, তাই অযথা ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে মমতার এই আক্রমণাত্মক মেজাজ নির্বাচনীয় পারদকে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিল।





