তীব্র দাবদাহে ফুঁসছে নাগপুরসহ মহারাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকা। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করলেও সাধারণ মানুষের ভরসা কুলার বা পাখা তো দূরের কথা, বিদ্যুতের বিলের ভয়ে সেগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন বহু পরিবার। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গরমেও টিনের চালের বাড়ির বাইরে রাত কাটাচ্ছেন মানুষ। নাগপুরের শ্রমিক-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ১০ টাকার বেশি হওয়ায় তা সাধারণ পরিবারের মাসিক আয়ের ১০ শতাংশ গ্রাস করছে। এর জেরে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা বা স্বাস্থ্যসেবার মতো জরুরি প্রয়োজনগুলোর সঙ্গে আপস করতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎ পরিকাঠামো মজবুত করতে মহারাষ্ট্র সরকার মূলধনী ব্যয় (ক্যাপেক্স) ৮৫ শতাংশ বাড়ালেও তার বোঝা সরাসরি পড়ছে আমজনতার ওপর। যদিও ২০৩০ সালের মধ্যে দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তবে তা কেবল ১০০ ইউনিটের কম ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য। অন্যদিকে, গ্রামীণ অর্থনীতিতে সংকট ভিন্ন রূপ নিয়েছে। কৃষকদের ভর্তুকিযুক্ত বিদ্যুৎ দেওয়া হলেও, তা দেওয়া হচ্ছে তীব্র রোদের সময়ে (সকাল ৮টা থেকে দুপুর)। ফলে জীবন ঝুঁকিতে ফেলে মাঠে নামতে পারছেন না কৃষকরা, যার জেরে অনেক জমি অনাবাদী পড়ে থাকছে। বিশেষজ্ঞ সংস্থা IRADe-এর মতে, এই সংকট নিরসনে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য বিশেষ ‘মৌসুমী ভর্তুকি’ প্রদানই এখন সময়ের দাবি।





