রাজনৈতিক পালাবদলের আঁচ এবার সরাসরি সীমান্ত পেরিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সাথে সাথে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও বইছে নতুন হাওয়া। সম্প্রতি অনুপ্রবেশকারী বা বাংলাদেশ থেকে আসা বাসিন্দাদের একাংশের মুখে শোনা গেল এক চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি, যা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তির দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে যখন তৃণমূল সরকার বা ‘দিদি’-র শাসন ছিল, তখন পরিস্থিতি ছিল অনেকটাই সহজ ও নমনীয়। কিন্তু বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার তথা রাজ্যে বিজেপির রাজনৈতিক প্রভাব ও নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকেই তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তাদের কথায়, ‘‘আগে আমরা নিশ্চিন্তে কাজ করতাম, প্রশাসনের কোনো বড় ঝক্কি ছিল না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। BJP সরকার আসার পর কড়াকড়ি বেড়েছে, পরিচয়পত্র যাচাই থেকে শুরু করে নজরদারি—সবটাই এখন অনেক বেশি কঠোর।’’
যদিও এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির। তাদের দাবি, এই স্বীকারোক্তিই প্রমাণ করে যে, আগের সরকারগুলোর আমলে সীমান্ত নিরাপত্তা কতটা শিথিল ছিল এবং রাজনৈতিক মদতপুষ্ট হয়ে অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের কীভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। তবে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের এই কঠোর অবস্থান আগামী দিনে সীমান্ত পরিস্থিতি ও রাজ্য রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।





