চৈত্রের খরতাপে যখন এসি বা কুলারও হার মানছে, তখন আধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভরসা না রেখে বেছে নিতে পারেন আমাদের পূর্বপুরুষদের বাতলে দেওয়া কিছু প্রাচীন ও কার্যকর উপায়। ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে শুরু করে শরীরকে ভেতর থেকে সজীব রাখা—সবক্ষেত্রেই এই ঘরোয়া টোটকাগুলি অতুলনীয়।
প্রথমেই আসে খসখসের পর্দার কথা; জানলা বা দরজায় এটি ঝুলিয়ে তাতে জল ছিটিয়ে দিলে ঘরের বাতাস প্রাকৃতিকভাবেই ঠান্ডা ও সুগন্ধি হয়ে ওঠে। ছাদের ওপর সাদা চুনকাম বা লেপন করলে তা সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি মাটির বাড়ির মেঝে বা দেওয়ালে গোবরের প্রলেপ তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করে ঘরকে শীতল রাখে।
শরীরের তাপমাত্রা সামলাতে ফ্রিজের জলের বদলে মাটির কলসির জল পান করা বাটারমিল্ক বা ঘোল খাওয়া, এবং আম পান্না পান করা অত্যন্ত জরুরি, যা ডিহাইড্রেশন ও হিট স্ট্রোকের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। এছাড়া ত্বকের জ্বালা কমাতে চন্দন বাটা এবং রাতের বেলা খোলা ছাদে ঘুমানোর প্রাচীন অভ্যাস আজও শরীরকে প্রশান্তি দেওয়ার সেরা উপায়। পরিবেশবান্ধব এই উপায়গুলি কেবল সস্তাই নয়, বরং গরমে সুস্থ থাকার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।





