রাজ্যজুড়ে চর্চার কেন্দ্রে এখন ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রকল্পের আবেদনের ফর্ম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে শোরগোল পড়ে গেছে। জল্পনা ছিল, ১ জুন থেকে এই প্রকল্পের আওতায় মহিলারা ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেতে চলেছেন। বিষয়টি নিয়ে এখন বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে।
কারা পাবেন এই ৩০০০ টাকা? বিরোধী দলনেতার ঘোষণা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য প্রান্তিক পরিবারগুলোর আর্থিক অবস্থার উন্নতি করা। তবে সবাই এই সুবিধা পাবেন না। কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি ঠিক করা হয়েছে:
আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
পরিবারের আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে উপভোক্তা নির্বাচন করা হবে।
বিশেষ করে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য এবং নিম্ন আয়ের পরিবারের মহিলারা এই সুবিধার আওতায় অগ্রাধিকার পাবেন।
আবেদন করবেন কীভাবে? অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন প্রক্রিয়া বেশ সহজ রাখা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী: ১. ফর্ম সংগ্রহ: সংশ্লিষ্ট ব্লক অফিস, পঞ্চায়েত দপ্তর কিংবা নির্ধারিত সরকারি ক্যাম্প থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। ২. জমা দেওয়া: ফর্মটি যথাযথভাবে পূরণ করে স্থানীয় প্রশাসনের দপ্তরে জমা দিতে হবে। ৩. অনলাইন সুবিধা: খুব শীঘ্রই সরকারি পোর্টালের মাধ্যমেও আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে খবর।
প্রয়োজনীয় নথি (যা সাথে রাখবেন): আবেদন করার সময় নিচের নথিপত্রগুলো প্রস্তুত রাখুন:
আধার কার্ড: আবেদনকারীর পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণ।
ব্যাঙ্ক ডিটেইলস: ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতার কপি (যেখানে IFSC কোড স্পষ্ট দেখা যায়)।
রেশন কার্ড: ডিজিটাল রেশন কার্ডের কপি।
পাসপোর্ট সাইজ ছবি: সাম্প্রতিক ২ কপি রঙিন ছবি।
মোবাইল নম্বর: সরকারি তথ্যের আপডেট পাওয়ার জন্য সক্রিয় নম্বর।
সতর্কবার্তা: প্রকল্পের নামে কোনো জালিয়াতি বা প্রতারণা থেকে সাবধান থাকুন। শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের মাধ্যমেই ফর্ম জমা দিন। ১ জুন থেকে ফর্ম ফিলাপ শুরু হতে চলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আপনার এলাকার স্থানীয় পঞ্চায়েত বা বিডিও অফিসে যোগাযোগ করে ফর্মের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে নিন।





