বুধবার সর্বভারতীয় ওষুধ ব্যবসায়ী সংগঠন এআইওসিডি (AIOCD) ই-ফার্মেসির রমরমা এবং অতিরিক্ত ছাড়ের বিরোধিতায় দেশজুড়ে ওষুধ দোকান বন্ধের ডাক দিয়েছিল। এই ধর্মঘটের প্রভাব রাজ্যে মিশ্র দেখা গেল। ‘বেঙ্গল কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (BCDA) ধর্মঘটে সামিল হওয়ায় পাড়ার সাধারণ ওষুধের দোকানগুলি বন্ধ থাকলেও, বড় কর্পোরেট ফার্মেসি, সরকারি জেনেরিক ওষুধের দোকান এবং সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরের দোকানগুলি খোলা থাকায় জনজীবন স্বাভাবিক ছিল।
এআইওসিডি-র মূল অভিযোগ, অনলাইন ফার্মেসি প্ল্যাটফর্ম এবং ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি অ্যাপগুলি অতিরিক্ত ছাড় দিয়ে খুচরো বিক্রেতাদের ব্যবসার ক্ষতি করছে। এছাড়া ই-ফার্মেসির ক্ষেত্রে উপযুক্ত যাচাইকরণের অভাবে জাল প্রেসক্রিপশনে নেশাজাতীয় ওষুধ বিক্রির আশঙ্কাও রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে ডিজিটাল ছাড় বা শিথিলতা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
অন্যদিকে, সরকারি সূত্রে খবর, ওষুধের বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে ই-ফার্মেসি সেক্টরের বর্তমান নিয়ন্ত্রক কাঠামো পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল। রাজ্যে বিসিডিএ-র দাবি অনুযায়ী তাদের প্রায় ৩০ হাজারের বেশি সদস্য ধর্মঘটে অংশ নিলেও, ওষুধের জোগান এবং জরুরি পরিষেবা সচল থাকায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন।





