NEET আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলার খাড়া! বিজেপি নেতাদের চরম হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির!

দিল্লিতে NEET পরীক্ষার বিতর্ককে কেন্দ্র করে ছাত্র আন্দোলনের জেরে আন্দোলনরত পরীক্ষার্থী ও যুবকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত ফৌজদারি বা ক্রিমিনাল মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। এই গোটা ইস্যুতে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি ও প্রকাশ্যে কড়া বার্তা পাঠাল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অতীতে ছাত্র আন্দোলন দমনের পর বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে যে আইনি পদক্ষেপ ও এফআইআর করা হয়েছে, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ‘এক্স’ (X)-এ একটি সুনির্দিষ্ট পোস্ট শেয়ার করে বলা হয়েছে, ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি. নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যে আশ্বাসের বার্তা দিয়েছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেন সেই প্রতিশ্রুতি কোনোভাবেই ভঙ্গ করা না হয়। CJP তাদের ওই পোস্টে পরিষ্কার ভাষায় লিখেছে, “Dear @samrat4bjp & @SuvenduWB, Don’t break the assurance given by @JPNadda & @DrJitendraSingh. Drop all criminal cases put on the protestors.” অর্থাৎ, আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ও রাজনৈতিক চাপে যে সমস্ত ফৌজদারি মামলা চাপানো হয়েছে, তা শর্তহীনভাবে তুলে নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছে এই রাজনৈতিক দল।

ককরোচ জনতা পার্টির দাবি অনুযায়ী, এর আগে সরকার ও আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের মধ্যে যখন উচ্চপর্যায়ের সমঝোতা বৈঠক হয়েছিল, তখন স্পষ্ট শর্ত দেওয়া হয়েছিল যে বিক্ষোভরতদের ওপর থেকে সমস্ত রাজনৈতিক ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। সেই পুরনো প্রতিশ্রুতি ও মুখের কথা রক্ষার্থেই এবার সরাসরি বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী ও শুভেন্দু অধিকারীর ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াল CJP। উল্লেখ্য, এর আগে NEET প্রশ্নফাঁস এবং দুর্নীতিবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুলিশি দমনের জেরে পড়ুয়াদের ওপর একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ও অসন্তোষ দানা বেঁধেছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই এই আইনি প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে ককরোচ জনতা পার্টির এই প্রকাশ্য বার্তার পর এখনও পর্যন্ত সম্রাট চৌধুরী, শুভেন্দু অধিকারী কিংবা সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কোনো মহলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি সামনে আসেনি।