২৬-এর বিধানসভায় টলিউড চমক? ২১শে জুলাইয়ের মাঝে ঋত্বিকা সেনের প্রার্থীপদ নিয়ে জল্পনা

আর বছরখানেকও বাকি নেই! ২০২৬ সালেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটের ময়দানে এনে তৃণমূল কংগ্রেস চমক সৃষ্টি করেছিল। এবার বিধানসভাতেও কি ফের একগুচ্ছ টলি তারকারা টিকিট পেতে চলেছেন? সম্প্রতি তেমনি জল্পনা রটেছে, এবং শোনা যাচ্ছে এবার নাকি ভোটের ময়দানে অভিনেত্রী ঋত্বিকা সেনের দেখা মিলতে পারে। তবে কি ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে দেখা মিলবে অভিনেত্রীর? এই প্রশ্ন এখন টলিপাড়া ও রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে।
মাঝেমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন মিটিং ও জমায়েতে ঋত্বিকাকে ঘনঘন দেখা যেত। আর সেই কারণেই রটে গিয়েছে যে তিনি নাকি বিধানসভার জন্য মমতার দল থেকে টিকিট পেতে পারেন।
এই প্রসঙ্গে আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নায়িকা বলেন, “গুঞ্জন আমি ছড়াইনি। আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। ফলে, কী করে জানব কেন এ রকম গুঞ্জন বারবার ছড়াচ্ছে?” তবে এর আগেও ঋত্বিকা জানিয়েছিলেন যে তাঁকে দল থেকে যখন যখন ডাকা হয়েছে, তখন তিনি মিটিংয়ে যোগ দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তিনি ভোটে দাঁড়াচ্ছেন। এবারও একই কথা জানিয়েছেন নায়িকা।
ভোটে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে নায়িকা আরও বলেন, “রাজনীতি বুঝি না। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার মতো বয়সও আমার হয়নি। তার পরেও যদি কোনও দিন সুযোগ আসে অবশ্যই ভেবে দেখব।”
তবে ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে ঋত্বিকা সেনের দেখা মিলবে কিনা – এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সময় করে উঠতে পারলে নিশ্চয়ই দিদির সঙ্গে গিয়ে দেখা করে আসব।”
প্রসঙ্গত, রবিবার রাত থেকেই ২১শে জুলাইয়ের অধিবেশন ঘিরে গোটা বাংলা ছিল জমজমাট। সোমবার রাস্তাঘাটে দলের পতাকা লাগানো বাস-গাড়ি-বাইকে ছয়লাপ ছিল। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ রবিবার থেকেই কলকাতামুখী হয়েছিলেন। যদিও যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করতে কলকাতার পথে কড়া পুলিশি প্রহরা এবং যানচলাচল নিয়ন্ত্রিত ছিল। সকাল সাড়ে ৯টার পর মিছিল বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা ফের দুপুর ১টা থেকে শুরু হয়েছে। এই জনসমুদ্রের মাঝে ঋত্বিকা সেনের উপস্থিতি এবং তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে।