বেঙ্গালুরুতে ক্রমবর্ধমান বাড়ি ভাড়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সম্প্রতি এমব্যাসি গলফ লিঙ্কস বিজনেস পার্কের কাছে একটি সেমি-ফার্নিশড ৩বিএইচকে ফ্ল্যাটের ভাড়ার বিজ্ঞাপন ভাইরাল হয়েছে, যার মাসিক ভাড়া ১.১ লক্ষ টাকা। এছাড়াও ৪ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট ও মাসিক ৬,০০০ টাকা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ শুনেই নেটিজেনদের চক্ষু চড়কগাছ। ব্যক্তিগত টেরেস, সুইমিং পুল ও জিমের মতো বিলাসবহুল সুবিধা থাকলেও, এই আকাশছোঁয়া ভাড়া সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে বলেই মনে করছেন অনেকে।
এই বিতর্কের সূত্রপাত অংশিকা নামক এক কর্মীর শেয়ার করা খরচের তালিকা থেকে। বছরে ৪০ লক্ষ টাকা প্যাকেজ পেয়েও তিনি কার্যত হিমশিম খাচ্ছেন। কর দেওয়ার পর মাসে ২ থেকে ২.২ লক্ষ টাকা আয় করলেও, বাড়ি ভাড়া, ইএমআই, পারিবারিক দায়িত্ব এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর মাস শেষে সঞ্চয় মাত্র ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা, অনেক সময় শূন্য!
আইটি সেক্টরের কর্মসংস্থানের কারণে সারজাপুর রোডসহ বেঙ্গালুরুর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে গত তিন বছরে ভাড়া বেড়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ পর্যন্ত। চাহিদার তুলনায় উন্নত মানের বাড়ির সীমিত সরবরাহকে কাজে লাগিয়ে বাড়ির মালিকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়াচ্ছেন। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে এই পোস্টটি এখন মধ্যবিত্তের মনে নতুন করে আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে। বেঙ্গালুরুর মতো শহরে আকাশছোঁয়া বাড়ি ভাড়া কি তবে উচ্চ বেতনের কর্মীদেরও সঞ্চয়হীন করে দিচ্ছে? এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।





