“১ লাখ ভোটে জয়ের বড় দাবি”-শুভেন্দুর উপস্থিতিতে আজই মনোনয়ন, কে হচ্ছেন প্রার্থী?

বিধানসভা উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ফের পারদ চড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরের হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ভোটগ্রহণ। তবে সবকটি আসনের মধ্যে রাজ্যবাসীর মূল নজর এখন নন্দীগ্রামের দিকেই। ইতিমধ্যেই বাম, কংগ্রেস ও তৃণমূলের দুই ভিন্ন শিবির প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও বিজেপির চাল কী হবে, তা নিয়ে ছিল তীব্র জল্পনা। অবশেষে সেই জল্পনায় শিলমোহর দিয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশের কথা জানালেন প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই তিনি বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন বলে জানা গেছে। হাসিরানিদেবী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেছেন, এই নির্বাচনে কমপক্ষে ১ লক্ষ ১০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন তিনি। তবে বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা না হলেও, সূত্র মারফত খবর—মঙ্গলবার বিশাল কর্মী-সমর্থকদের মিছিল নিয়ে দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতেই তিনি মনোনয়ন পেশ করবেন।
প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবির। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে মাঠে নামানো হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের হয়ে লড়াই করছেন মহম্মদ এহেতাশ মুল হক। সিপিআইয়ের টিকিটে দাঁড়াচ্ছেন শান্তিগোপাল গিরি এবং কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন মিলন প্রধান।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, মনোনীত প্রার্থী হাসিরানি রথ আগেই জানিয়েছিলেন, “সিএম শুভেন্দু বাবুই আমাদের পরিবারের অভিভাবক। তিনি যা দায়িত্ব দেবেন, মাথা পেতে নেব।” এখন দেখার, শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও বিরোধী জোটের সমীকরণের মাঝে নন্দীগ্রামের আসনটি বিজেপি ধরে রাখতে পারে কি না।