হিডকোর নতুন চেয়ারপার্সন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে নতুন গুঞ্জন

রাজ্যের আবাসন পরিকাঠামো উন্নয়ন পর্ষদ, অর্থাৎ হিডকো (HIDCO)-এর নতুন চেয়ারপার্সন হলেন অর্থ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দায়িত্বের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছেন। সরকারি সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
কেন ফিরহাদ হাকিমের পরে চন্দ্রিমা?
এর আগে হিডকোর চেয়ারম্যান পদে ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। গত ডিসেম্বরে রাজ্য মন্ত্রিসভা তাঁকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর প্রায় আট মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হিডকোর দায়িত্ব সামলেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে প্রাক্তন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সামগ্রিক দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ফিরহাদ হাকিমের পর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের এই পদে আসা নিছক প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে এক স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের একজন নির্ভরযোগ্য ও ঘনিষ্ঠ নেত্রী হিসেবে পরিচিত। তিনি মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীও। এই নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী হয়তো বুঝিয়ে দিলেন যে সরকার ও দলের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে তাঁকে ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা পালন করতে হবে।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ইটিভি ভারত-কে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমাকে যখনই যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সেটা আমার ক্ষমতা মতো পালন করার চেষ্টা করেছি। এবারও এই পদে আমাকে উপযুক্ত মনে করেছেন, এজন্য আমি কৃতজ্ঞ। জান-প্রাণ দিয়ে এই দায়িত্ব পালন করব এবং তাঁর ভরসার মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করব।”
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাতে হিডকোর দায়িত্ব আসার পর এই সংস্থাটি কেবল প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কারণ হিডকোর মূল কাজ আবাসন, শহর তৈরি এবং বড় পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।