স্বাধীনতার পর প্রথমবার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হবে কি বড় বদল?

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে বহুল প্রতীক্ষিত ডিজিটাল জনগণনা ২০২৭-এর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই বিশেষ সমীক্ষার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিক ও পরিবারের কাছে সুনির্দিষ্ট এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। নতুন এই প্রক্রিয়ায় মূলত সামাজিক অবস্থান, ব্যক্তির পরিচয়, সুনির্দিষ্ট জাতিগত পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মসংস্থান, অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নথিভুক্ত করা হবে। বিগত ২০১১ সালের জনগণনায় যেখানে মাত্র ২৯টি প্রশ্ন জিজ্ঞাসার নিয়ম ছিল, সেখানে এবারের জনগণনার ক্ষেত্রে প্রশ্নের সংখ্যা বাড়িয়ে মোট ৪০টিতে উন্নীত করা হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, দেশের দীর্ঘ স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথমবার সর্বস্তরে এবং সমস্ত সম্প্রদায়ের জন্য সুনির্দিষ্ট জাতিগত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হতে চলেছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পন্থায় পরিচালিত হবে, যা দেশের জনমিতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পরিকল্পনাকে আরও বেশি নির্ভুল ও তথ্যভিত্তিক করে তুলতে সাহায্য করবে। সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, জনগণনা সংক্রান্ত এই দ্বিতীয় ধাপ বা জনসংখ্যা গণনার কাজ শুরু হওয়ার আগে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম রূপায়ণ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ যাতে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে খুব সহজেই নিজেদের তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালে জমা দিতে পারেন, তার জন্য বিশেষ ‘স্ব-গণনা’ বা সেলফ-এনুমারেশনের অভিনব ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান সংগ্রহ করে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির রূপায়ণ আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।