সোমবার থেকেই বদলে যাচ্ছে নিয়ম! আকাশপথে সফরের খরচ কি সাধারণের নাগালের বাইরে?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল সাধারণ মানুষের পকেটে। এমনিতেই যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার মাঝেই ঘরোয়া বিমান পরিষেবা নিয়ে এক বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী সোমবার থেকেই বিমানের টিকিটের ভাড়ার ওপর আর কোনও ‘ক্যাপিং’ বা সর্বোচ্চ মূল্যসীমা থাকছে না। অর্থাৎ, এখন থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিমানের টিকিটের দাম নির্ধারণ করতে পারবে বিমান সংস্থাগুলি।

দীর্ঘদিন ধরেই ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া এবং স্পাইসজেটের মতো প্রথম সারির বিমান সংস্থাগুলি সরকারের কাছে এই মূল্যসীমা তুলে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আসছিল। তাদের যুক্তি ছিল, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট ভাড়ার কাঠামোয় ব্যবসা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ‘ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনস’-এর পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছিল যে, ভাড়ার সীমাবদ্ধতা বজায় থাকলে সংস্থাগুলি বড়সড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বিমান সংস্থাগুলির সেই দাবি মেনে নিল কেন্দ্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে উৎসবের মরসুমে বা জরুরি প্রয়োজনে শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটলে যাত্রীদের কয়েক গুণ বেশি টাকা গুনতে হতে পারে। যুদ্ধের কারণে বিমানের জ্বালানি বা ATF-এর দাম বাড়লে সেই বোঝা সরাসরি সাধারণ যাত্রীদের ওপর চাপানো সহজ হবে বিমান সংস্থাগুলির জন্য। সোমবার থেকে কার্যকরী হতে চলা এই নিয়মে আকাশপথে যাতায়াত মধ্যবিত্তের জন্য আরও মহার্ঘ্য হয়ে উঠতে চলেছে।