সেনার সোশ্যাল মিডিয়া নীতিতে বড় বদল! ‘প্যাসিভ’ ব্যবহারের অনুমতি পেলেন জওয়ানরা, কী করবেন আর কী নয়?

ডিজিটাল যুগে তথ্য সুরক্ষা এবং কৌশলগত সংযম বজায় রাখতে নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া নীতিতে (Social Media Policy) গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনল ভারতীয় সেনা সদর দফতর। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে সেনা সদস্যরা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে পারবেন, তবে তা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে। এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র কনটেন্ট দেখা এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য (Viewing and Monitoring), যাকে বলা হচ্ছে ‘প্যাসিভ পার্টিসিপেশন’।
সেনা সদর দফতরের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স (DGMI) জারিকৃত এই নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ইনস্টাগ্রামে কোনো ছবি বা ভিডিও পোস্ট করা, কমেন্ট করা, শেয়ার করা কিংবা কাউকে মেসেজ পাঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এই নীতির ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী চায় সদস্যরা যেন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া তথ্য বা ভুয়ো খবর সম্পর্কে সচেতন থাকেন, কিন্তু কোনোভাবেই তাতে আবেগপ্রবণ হয়ে ‘রিঅ্যাক্ট’ না করেন।
নতুন নীতি অনুযায়ী, ইউটিউব এবং এক্স-এ (Twitter) শুধুমাত্র তথ্য দেখা যাবে, কিছু আপলোড করা যাবে না। লিঙ্কডইন ব্যবহার করা যাবে শুধুমাত্র পেশাগত প্রয়োজনে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ও স্কাইপে সাধারণ তথ্য আদান-প্রদানের অনুমতি থাকলেও ভিডিপিএন (VPN), টরেন্ট বা অজ্ঞাত প্রক্সি ব্যবহারের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে। ২০২০ সালে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামসহ ৮৯টি অ্যাপ ডিলিট করার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেই শৃঙ্খলার মধ্যেই এই ‘প্যাসিভ ব্যবহারের’ ছাড় দেওয়া হলো জওয়ানদের মানসিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে।