২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপ এখন তুঙ্গে। বুধবার ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ঠিক সেই দিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুভেন্দুর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “সব হিসাব হবে ৪ তারিখের পর।”
ঠিক কী ঘটেছে? বুধবার আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে ধুমধাম করে মনোনয়ন পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফিরহাদ হাকিমসহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়েই বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানায় ঘাসফুল শিবির। গেরুয়া শিবিরকে ফের ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেন, বাংলার মানুষ ঘরের মেয়েকেই চায়।
শুভেন্দুর পাল্টা চ্যালেঞ্জ: তৃণমূলের এই ‘বহিরাগত’ খোঁচা ধোপে টিকবে না বলে পাল্টা সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন মমতার মনোনয়ন জমা দেওয়ার আবহেই শুভেন্দু এক বড়সড় ‘ডেডলাইন’ দিয়ে বসেন। তিনি বলেন, ৪ জুনের পর (ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার দিন) বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাবে। শুভেন্দুর কথায়, “যারা আজ ক্ষমতার দম্ভে বহিরাগত বলছেন, ৪ তারিখের পর সব কিছুর হিসাব বুঝে নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ ঠিক করে নিয়েছেন কাদের বিসর্জন দিতে হবে।”
কেন ৪ তারিখ নিয়ে জল্পনা? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হয়ে যাবে। শুভেন্দু অধিকারী পরোক্ষভাবে এটাই ইঙ্গিত দিতে চেয়েছেন যে, ফলাফলের পর তৃণমূলের শাসনকাল শেষ হতে চলেছে। এর আগেও নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন শুভেন্দু, এবার ভবানীপুরেও কি তেমনই কিছু ঘটবে? নাকি মমতার গড় রক্ষা হবে?
এক নজরে আজকের বড় আপডেট:
ভবানীপুর কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুভেন্দু অধিকারীর ‘৪ জুনের’ হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য।
তৃণমূলের ‘বহিরাগত’ তকমা বনাম বিজেপির ‘পরিবর্তন’—লড়াই এখন সমানে সমানে।





