লোকসভায় মোদী সরকারকে বড়সড় ধাক্কা দিল বিরোধীরা। কড়া টক্করের মুখে পড়ে শেষমেশ পিছু হটতে বাধ্য হলো সরকার পক্ষ, আটকে গেল বিতর্কিত বিল। আর এই জয়ের ঠিক পরেই রাজনৈতিক সৌজন্যের এক অনন্য ছবি ধরা পড়ল জাতীয় রাজনীতিতে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি ফোন করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
কেন এই ফোন? সৌজন্য নাকি কৌশল?
সূত্রের খবর, লোকসভায় বিরোধী ঐক্যের মাধ্যমে সরকারি বিল রুখে দেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সাংসদদের জোরালো প্রতিবাদ ও রণকৌশল ইন্ডিয়া (I.N.D.I.A.) জোটকে বাড়তি অক্সিজেন দেয়। এই সাফল্যের পরই অভিষেককে ফোন করে ধন্যবাদ জানান রাহুল। দীর্ঘক্ষণ কথা হয় দুই নেতার মধ্যে।
লোকসভায় যা ঘটল
বিগত কয়েকদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ নিয়ে উত্তপ্ত ছিল সংসদ। বিরোধীদের দাবি ছিল, এই বিল পাশ হলে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব হবে।
বিরোধীদের ঐক্য: কংগ্রেস ও তৃণমূলের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলি একযোগে ওয়াকআউট ও প্রতিবাদের ঝড় তোলে।
সংখ্যার লড়াই: ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের অনড় মনোভাব দেখে শেষ পর্যন্ত বিলটি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে পাঠাতে বা স্থগিত করতে বাধ্য হয় কেন্দ্র।
অভিষেকের ভূমিকা: সংসদে তৃণমূলের রণকৌশল নির্ধারণে অভিষেক বড় ভূমিকা পালন করেন, যা নজর কেড়েছে দিল্লির অলিন্দে।
ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ
রাজনৈতিক মহলের মতে, রাহুল ও অভিষেকের এই ফোনালাপ কেবল সৌজন্য বিনিময় নয়, বরং আগামী দিনে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আরও সুসংগঠিত লড়াইয়ের ইঙ্গিত। যে ভাবে রাজ্য স্তরের বিভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে রাহুল গান্ধী অভিষেককে ফোন করলেন, তা ইন্ডিয়া জোটের বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
অভিষেককে ফোন করে রাহুল কেবল ধন্যবাদই দেননি, বরং আগামী দিনে সংসদের অন্দরে অভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন। এই ঘটনা বর্তমান দিল্লির রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিল।





