শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে আন্দোলন, সরকারকে চ্যালেঞ্জ অভিজিৎ তিপকের

আন্দোলনের মূল দাবি ও সরকারের প্রতি তোপ:

  • প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: অভিজিৎ তিপকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি রাশিয়া-ইউক্রেনের মতো আন্তর্জাতিক যুদ্ধ থামাতে পারেন, তবে দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ধ্বংসকারী প্রশ্নফাঁস কেন আটকাতে পারছেন না?”

  • শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি: ধর্মেন্দ্র প্রধানের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ অথবা তাঁকে বরখাস্ত করার দাবিতে অনড় এই নতুন সংগঠন।

  • বিজেপির আক্রমণের জবাব: সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্যদের ‘পাকিস্তানি’ তকমা দেওয়া নিয়ে বিজেপি ও আইটি সেলকে তীব্র আক্রমণ করেন তিপকে। তিনি বলেন, “আপনারা কি মনে করেন বিজেপি কর্মী বা আইটি সেলের লোক হলেই কেবল ভারতীয় হওয়া যায়? আমাদের আন্দোলনে পাকিস্তানি তকমা দিয়ে ভয় দেখানো বন্ধ করুন।”

সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

  • যুবসমাজের ইস্যু: অভিজিৎ তিপকে জানান, আরশোলা জনতা পার্টি কেবল NEET ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শহর থেকে গ্রাম, প্রতিটি যুবকের সমস্যার সমাধানই তাঁদের লক্ষ্য।

  • রাজনৈতিক দল গঠন: ভবিষ্যতে এই আন্দোলন পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে কি না, তা নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সমর্থকদের সাথে আলোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • স্বাধীন অবস্থান: বর্তমানে কংগ্রেস বা আম আদমি পার্টির সাথে তাঁদের কোনো যোগ নেই। আন্দোলন স্বাধীনভাবেই চলবে, তবে যুব স্বার্থে নীতিগত সমর্থনের দরজা খোলা রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি আমেরিকা থেকে ফিরে আসা অভিজিৎ তিপকে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ভারতেই থাকছেন এবং এই লড়াইয়ে পূর্ণ সময় দেবেন।