লালকেল্লার সামনে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড কে? রাষ্ট্রপুঞ্জের বিস্ফোরক রিপোর্টে ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য!

দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লার সামনে সংঘটিত হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণের নেপথ্যে সক্রিয় ছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল কায়দা (AQIS)। সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিস্ফোরক রিপোর্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। বিশ্বজুড়ে চরমপন্থী কার্যকলাপের ওপর নজর রাখা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’-এর এই সর্বশেষ রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে, ভারতীয় উপমহাদেশে আল কায়দা এখন কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বা ছোটখাটো গোষ্ঠী হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তারা সুপরিকল্পিতভাবে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জঙ্গি সংগঠনে পরিণত হওয়ার বিপজ্জনক চেষ্টা চালাচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদে পেশ করা এই আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দক্ষিণ এশিয়া তথা বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশে এই আন্তর্জাতিক উগ্রপন্থী সংগঠনের ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ এবং তৎপরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের এই বিশদ রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লার ঠিক সামনে যে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটেছিল, সেই নাশকতার ঘটনার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে আল কায়দা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (AQIS)। শুধু তাই নয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে যে, এই জঙ্গি সংগঠনটি অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন গোপন স্লিপার সেল বা শাখা তৈরি করে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও পরিকাঠামোকে নিজেদের নাশকতামূলক স্বার্থে ব্যবহার করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে এই ধরনের আন্তঃসীমান্ত ষড়যন্ত্র এবং জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিস্তার সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য এক মারাত্মক অশনিসংকেত। আন্তর্জাতিক মহলের এই জোরালো সতর্কবার্তার পর নড়েচড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট দেশের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা এজেন্সিগুলিও।