লর্ডস টেস্টের পরই চাঞ্চল্যকর মোড়! পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ঘিরে ফের জোরালো ফিক্সিংয়ের আশঙ্কা!

ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি চরম বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ১৯৪ রানের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলের অন্দরে ফিক্সিং ও শৃঙ্খলাভঙ্গের মতো গুরুতর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) রাতের ঘুম উড়িয়ে একসঙ্গে সাতজন খেলোয়াড় এবং দুই কোচকে দল থেকে বাদ দেওয়ার মতো বড় পদক্ষেপ করেছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আকস্মিক রদবদলের পেছনে কেবল বাজে পারফরম্যান্স নয়, বরং আরও গভীর কোনো কারণ রয়েছে। লর্ডসে হারের পরই দলের সিকিউরিটি অফিসার অভিজ্ঞ ব্যাটার মহম্মদ রিজওয়ান এবং ওপেনার ইমাম-উল-হকের মোবাইল ফোন নিজেদের হেফাজতে নেন। জানা গেছে, তাঁদের ফোন থেকে তথ্য অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত করার পর তা ফেরত দেওয়া হয় এবং শেষ টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ফোনও বোর্ডের নজরে রয়েছে।
তদন্তের মুখে তারকারা দলের এমন আচরণের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দেগেছেন পিসিবির হাই-পারফরম্যান্স ডিরেক্টর আকিব জাভেদ। বিশেষ করে ইমাম-উল-হকের চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, পেশিতে টান লাগার অজুহাতে দুই ইনিংসে ব্যাট করা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং তাঁকে এ নিয়ে কঠোর তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে, পিসিবির মিডিয়া ও ডিজিটাল কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর আমির মীর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি দিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শৃঙ্খলা ও আচরণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পিসিবি একটি অভ্যন্তরীণ শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু করেছে। একসঙ্গে ৭ জন খেলোয়াড়কে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া এবং নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে এখন তুমুল শোরগোল শুরু হয়েছে।