মানহীন স্কুলগুলোতে তালা: যোগী প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপে স্বীকৃতি হারাল ৪৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

কেন এই কড়া সিদ্ধান্ত?
গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে স্কুলগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছিল প্রশাসন। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যে ৪৬৫টি স্কুলের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে, সেগুলি মূলত ‘নন-ফাংশনাল’ বা নিষ্ক্রিয় ছিল। এই স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগগুলি হলো:
পরিকাঠামোর অভাব: পঠনপাঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নূন্যতম পরিবেশ বা পরিকাঠামো এই স্কুলগুলিতে ছিল না।
নিয়মভঙ্গ: দীর্ঘ সময় ধরে ইউপি বোর্ডের নিয়মকানুন না মেনে শুধুমাত্র খাতায়-কলমে টিকে ছিল এই স্কুলগুলি।
নামসর্বস্ব অস্তিত্ব: প্রকৃত শিক্ষার কোনো পরিবেশ না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার নামে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগুলি কাজ করছিল।
প্রশাসনের পরবর্তী লক্ষ্য:
একযোগে ৪৬৫টি স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামোর একটি বড় সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা শিক্ষার নামে বেনিয়ম চালাচ্ছে, তাদের কাছে এটি একটি বড়সড় বার্তা।
তবে, এই স্কুলগুলোতে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যাতে অনিশ্চয়তা তৈরি না হয়, সে বিষয়টিও পর্ষদের নজরে রয়েছে। প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য—প্রত্যেক শিশুকে উপযুক্ত ও মানসম্পন্ন শিক্ষার পরিকাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা। যোগী সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপ উত্তরপ্রদেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।