ভোটের বাজারে এবার ঝালমুড়ি চর্চায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সবথেকে বড় ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’ বলে অভিহিত করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ‘ঝালমুড়ি খাওয়া’র প্রসঙ্গ টেনে আক্রমণ শানান তিনি।
হেমন্ত সোরেনকে ‘অপমান’ ও ঝালমুড়ি রাজনীতি: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে অপমান করেছে কেন্দ্র। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আসবেন বলে আদিবাসী মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কপ্টার ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়নি, তাঁকে আকাশে অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়েছিল। আর সেই সময়ে ঝাড়গ্রামে দাঁড়িয়ে আয়েশ করে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী!”
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ: বিজেপি যখন বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে লাগাতার আক্রমণ করছে, তখন মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়াকেই হাতিয়ার করলেন অভিষেক। তাঁর প্রশ্ন, “যাঁরা দিবারাত্রি মমতাকে আক্রমণ করেন, তাঁরা কি গত ১৫ বছরে গুজরাট বা মধ্যপ্রদেশের কোথাও নরেন্দ্র মোদীকে এভাবে রাস্তায় ঝালমুড়ি খেতে দেখেছেন?” তাঁর দাবি, ২০১১ সালের আগে পরিস্থিতি এমন থাকলে প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার ঝাড়গ্রামে নামার সাহস পেত না।
কেন মোদীই বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর? অভিষেকের যুক্তি, ২০১১ সালের আগে ঝাড়গ্রামে মানুষ রাত ১০টার পর বাইরে বেরোতে ভয় পেত। আজ প্রধানমন্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছেন, আর এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আসল উন্নয়ন। অভিষেক আরও বলেন, “যে পাহাড়ে নব্বইয়ের দশকের পর কোনও মুখ্যমন্ত্রী যেতে পারতেন না, আজ সেখানে অমিত শাহ এসে সভা করছেন—এটাই তৃণমূল সরকারের সবথেকে বড় সাফল্য।”





